Posts

রক্তচাপ কমায় টম্যাটো

Image
শুধু রক্তচাপ নয়, শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমায় এই টম্যাটো  ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন এবং আইসিএম আর-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, গত এক দশকে দেশে উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা খুবই বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি তিনজন ভারতীয়র মধ্যে একজন উচ্চ রক্তচাপের শিকার। ফলে রক্তচাপের ওষুধের ব্যবহারও বাড়ছে। তবে ওষুধ ছাড়াও নিয়মিত ২ টো করে কাঁচা টম্যাটো খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, এই সবজিটিতে রয়েছে লাইকোপেন এবং বিটা ক্যারোটিন নামে উপাদান, যা শরীরে উপস্থিত ক্ষতিকর বস্তু বের করে মানসিক চাপ কমায়। ফলে রক্তচাপ দ্রুত নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। টম্যাটোতে থাকা ভিটামিন-ই, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট এবং পটাশিয়ামও রক্তচাপকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। শুধু রক্তচাপ নয়, শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমায় এই সবজি। এর মধ্যে থাকা ফাইবার বা আঁশ খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে শুরু করে। ফলে হার্টের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়। টম্যাটোর মধ্যে থাকা ফাইবার রক্তে শর্করার মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রেখে টাইপ ১ এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। দূর করে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও। এর অ্যান্টি-অক...

সম্পদ কচুরিপানা !

Image
আসামের মরিগাঁও জেলায় বরচিলা গ্রামে মহিলাদের একটি ছোট গোষ্ঠী কচুরিপানা থেকে শিল্পসামগ্রী তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। বিদেশ থেকে আসা জলজ আগাছা কচুরিপানা ভারত জুড়ে খুবই পরিচিত। এতে সুন্দর বেগুনি ফুল ফোটে। দেখতে সুন্দর লাগলেও, কচুরিপানা কিন্তু বেশ সমস্যা তৈরি করে। নদী, পুকুর কচুরিপানায় ভরে গেলে মাছ উৎপাদন, পরিবহণ কিংবা অন্যান্য অনেক কাজে বাধা সৃষ্টি হয়। মধ্য আসামের মরিগাঁও জেলায় বরচিলা গ্রামে মহিলাদের একটি ছোট গোষ্ঠী কচুরিপানা থেকে হাতে তৈরি নানা শিল্পসামগ্রী তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। বর্জ্য থেকে তৈরি হচ্ছে সম্পদ। এর ফলে তাদের উপার্জনের পথও সুগম হয়েছে। গোষ্ঠীর সদস্যরা প্রতি মাসে অন্তত ১০ হাজার টাকা আয় করতে পারছেন। আসামের গ্রামীণ জীবিকা মিশন কর্মসূচির আওতায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গ্রামের দরিদ্র মহিলাদের কাছে কাঁচামাল একটি সমস্যা হয়েছিল। তা দূর হয়েছে সোনাই নদীতে জন্মানো কচুরিপানার সুবাদে। আসামের বন্যাপ্রবণ বিভিন্ন জেলায় জলজ এই উদ্ভিদ একটি অর্থনৈতিক সম্পদ হয়ে উঠেছে। ওই রাজ্যের একমাত্র রামসার ক্ষেত্র দীপর বিলে, কচুরিপানার আস্তরণ পরিবেশগত একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। গুয়াহাটির দুই যুবক রূপঙ্কর ভট্টাচার্য ...

শিক্ষাঃ আত্মঘৃণা তৈরির আঁতুড়ঘর

Image
আধুনিক ফ্যাক্টরি স্কুলিংয়ের লুকানো পাঠ্যক্রমের আসল অ্যাজেন্ডা হল: আত্ম-ঘৃণা তৈরি লিখছেন মনীশ জৈন আমার এমন অনেক বন্ধুর সঙ্গে দেখা হয়, যারা বীরত্বের সঙ্গে সব ধরনের নতুন নতুন পাঠ্যক্রম এবং চকচকে প্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থাকে সংশোধন বা সংস্কার করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু তারা স্কুলে পড়ার আসল উদ্দেশ্য বুঝতে পারছে বলে অন্তত আমার মনে হয় না। যে কোন ব্যবস্থায় আধিকারিক নিয়ম এবং লক্ষ্য থাকে যা প্রায়ই অনেক বড় বড় শব্দ যেমন সত্য, সমতা, গণতন্ত্র, প্রগতি ইত্যাদি দিয়ে বোঝানো হয়। বিশ্বজুড়ে আধুনিক ফ্যাক্টরি স্কুলিংয়ের লুকানো পাঠ্যক্রমের আসল অ্যাজেন্ডা হল: আত্ম-ঘৃণা তৈরি। 'আমি যথেষ্ট ভালো নই' ক্রমাগত এই অনুভূতি প্রচার এবং তা পড়ুয়াদের মধ্যে চারিয়ে দেওয়া। বেশিরভাগ পড়ুয়ারা তাদের প্রতিভা এবং ক্ষমতা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নয়। তাদের উচ্চাশা এবং স্বপ্ন সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই।এই অ্যাজেন্ডার ফলে পড়ুয়াদের মধ্যে অনেকেই নিজেদের 'ব্যর্থ' বলে বিশ্বাস করে এবং দিশাহীন হয়ে পড়ে। এই অবস্থা ভোগবাদ, ঔপনিবেশিকতা এবং দ্বন্দ্বের ইন্ধন জোগায়। এছাড়াও ব্যবস্থাটিতে— নম্বর, ডিপ্লোমা, কতশত মাইনে পাচ্ছি, কত অত...

বাড়ছে রবিশস্যের সহায়ক মূল্য

Image
রেপসিড ও সরষের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বেড়েছে কুইন্টাল পিছু ৩০০ টাকা বিপণন মরশুম ২০২৫-২৬-এর জন্য রবিশস্যের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বাড়ছে। চাষিরা যাতে তাদের ফসলের লাভজনক দাম পান, তা সুনিশ্চিত করতে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বাড়ানো হয়েছে। রেপসিড ও সরষের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বেড়েছে কুইন্টাল পিছু ৩০০ টাকা। এর পরেই রয়েছে মুসুর ডাল। এর কুইন্টাল পিছু দাম বাড়ানো হয়েছে ২৭৫ টাকা। আর ছোলার, কুইন্টাল পিছু ২১০ টাকা, গমের ১৫০ টাকা, কুসুমের ১৪০ টাকা এবং বার্লির দাম ১৩০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। ২০১৮-১৯ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটের ঘোষণা অনুযায়ী ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের বৃদ্ধি কার্যকর করা হয়েছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। বাজেটে বলা হয়েছিল ন্যূনতম সহায়ক মূল্য, উৎপাদন ব্যয়ের ভারযুক্ত সর্বভারতীয় গড়ের অন্ততপক্ষে দেড়গুণ হবে। সেই অনুযায়ী, সরকারি হিসেবে, ব্যয়ের উপর মুনাফা গমের ক্ষেত্রে ১০৫ শতাংশ, রেপসিড ও সরষের ক্ষেত্রে ৯৮ শতাংশ, মুসুরের ক্ষেত্রে ৮৯ শতাংশ, ছোলা ও বার্লির ক্ষেত্রে ৬০ শতাংশ এবং কুসুমের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ ধরা হয়েছে। সরকার মনে করছে, এর ফলে চাষিরা ফসলের লাভজনক দাম পাবে এবং ফসলের বৈচিত্র্যকরণে উৎসাহী হবে। অক্টোবর-নভে...

শিশুমৃত্যু কমেছে, অপুষ্টি বাড়ছে

Image
প্রায় সব রাজ্যেই শিশু মৃত্যু সামান্য হলেও কমেছে প্রায় সব রাজ্যেই শিশু মৃত্যু সামান্য কমেছে। তবে বিহারে শিশু মৃত্যুর হার সব থেকে বেশি। ১০০০ টি ভুমিষ্ট শিশুর মধ্যে ৪৭ জনের মৃত্যু হয় এ রাজ্যে। আর আসামে মৃত্যু হয় ৪২ জনের। অন্যদিকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের পুষ্টির অবস্থা ক্রমশ বেশ খারাপ হয়েছে। ১৭ টি রাজ্যের মধ্যে ১১টিতে স্টান্টিং বা দীর্ঘস্থায়ী অপুষ্টি (অর্থাৎ,বয়সের সাপেক্ষে কম উচ্চতার শিশুর সংখ্যা) বেড়েছে। আর ১৩টি রাজ্যে মারাত্মকভাবে ‘ওয়েস্টেড’ শিশুদের অনুপাত বেড়েছে (ওজন যদি তার উচ্চতার জন্য প্রস্তাবিত মাত্রার নিচে হয়, তাহলে তাকে ওয়েস্টেড বলা হয়)। স্টান্টেড শিশুদের রোগ ও অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। অক্টোবর-নভেম্বর - ২৪, ৩০-২২, অপুষ্টি, শিশু মৃত্যু 

চরমে আবহাওয়া

Image
জলবায়ু বদলের জন্য হওয়া চরম আবহাওয়ার ঘটনাগুলি ২০২৪ সালে, আরো বেশি দিন জুড়ে হয়েছে সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট (সিএসই) এবং ডাউন টু আর্থ-এর একটি মূল্যায়ন অনুসারে, জলবায়ু বদলের জন্য হওয়া চরম আবহাওয়ার ঘটনাগুলি ২০২৪ সালে, আরো বেশি দিন জুড়ে হয়েছে। ২০২৪ সালের প্রথম নয় মাসের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ভারতে ২৭৪ দিনে ২৫৫টি চরম আবহাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ২০২২ এবং ২০২৩ সালের চরম আবহাওয়ার ঘটনা ঘটেছিল যথাক্রমে ২৩৫ এবং ২৪১ দিন। ২০২৪ সালে সাত ধরনের চরম আবহাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সেগুলি হল বজ্রপাত এবং ঝড়; ভারী বৃষ্টি, বন্যা এবং ভূমিধ্বস; লু বা খুব গরম হাওয়া চলাচল; খুব ঠান্ডা দিন এবং ঠান্ডা হাওয়া চলাচল; মেঘ ফাটা বৃষ্টি, ঘূর্ণিঝড় এবং তুষারপাত। ৮ নভেম্বরে প্রকাশিত, সংস্থাটির প্রতিবেদনে দেখা গেছে, শুধুমাত্র চরম আবহাওয়ার ঘটনাগুলি খুবই ঘন ঘন হচ্ছে এমন নয়, এর তীব্রতাও বাড়ছে। ২০২২ সালে, জলবায়ু বদলের ফলে মোট ২৭৫৫ জন মারা গিয়েছিল। ২০২৪ সালে তা ১৮ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৩২৩৮ জন। অক্টোবর-নভেম্বর - ২৪, ৩০-২১, জলবায়ু বদল

সার থেকে ক্যান্সার

Image
রাসায়নিক সার ব্যবহারের সঙ্গে ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ার ঘনিষ্ট সম্পর্ক রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন নাইট্রোজেন, ফসফেট এবং পটাশের মতো সার ব্যবহারের পাঞ্জাব দেশের মধ্যে শীর্ষে। ৬ অগস্ট, ২০২৪-এ রাজ্যসভায় পেশ করা কেন্দ্রীয় রাসায়নিক ও সার মন্ত্রকের তথ্য অনুসারে, পাঞ্জাবে ২০২৩-২৪ সালে হেক্টর প্রতি ২৪৭.৬১ কেজি রাসায়নিক সার ব্যবহার হয়েছে। এটি জাতীয় গড়ের প্রায় দ্বিগুণ। দেশে গড়ে হেক্টর প্রতি ১৩৯.৮১ কেজি এই সার ব্যবহার হয়। এই রাজ্যটি ভারতের আয়তনের মাত্র ১.৫৩ শতাংশ। কিন্তু দেশের মোট রাসায়নিক সার ব্যবহারের প্রায় ৯ শতাংশ এই রাজ্য ব্যবহার করে। ভারতে নাইট্রোজেন-ফসফরাস-পটাসিয়াম বা এনপিকে সারের ব্যবহার ১৯৮০ সালে ছিল ৬.৯ লক্ষ টন। ২০১৮ সালে তা ১৮০ ভাগ বেড়ে হয়েছে ১৯.২ লক্ষ টন। রাসায়নিক সার ব্যবহারের সঙ্গে ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ার ঘনিষ্ট সম্পর্ক রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করে। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ-এর ন্যাশনাল ক্যান্সার রেজিস্ট্রি প্রোগ্রামের তথ্য অনুযায়ী, পাঞ্জাবে ক্যান্সারের ঘটনা ২০২১ সালে ৩৯,৫২১ থেকে বেড়ে, ২০২৪ সালে ৪২,২৮৮-এ পৌঁছেছে। আমাদের রাজ্যও এই সার...

ডাবের জলের উপকারিতা

Image
প্রাকৃতিক এই পানীয়  স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর পানীয়গুলির মধ্যে একটি হল ডাবের জল। এটি সব বয়সীদের জন্যই বিশেষভাবে উপকারী। প্রাকৃতিক এই পানীয় স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো। ওজন নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে হজমের সমস্যার সমাধান মেলে এই পানীয় থেকে। ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন এমন মানুষদের জন্য ডাবের জল কার্যকরী। কারণ এতে ক্যালরি কম থাকে এবং পানীয় হিসেবেও বেশ হালকা। এছাড়াও ডাবের জলে বায়োঅ্যাকটিভ এনজাইম রয়েছে যা হজমে সাহায্য করে এবং শরীরের চর্বির বিপাককে ত্বরান্বিত করে। দিনে অন্তত ৩-৪ বার ডাবের জল পান করলে তা অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করবে। এই জল খেলাধুলার সময় এবং পরে শরীরের ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। এই পানীয় অতিরিক্ত পরিমাণে পটাসিয়ামে ভরপুর, যা বাজার থেকে কেনা এনার্জি ড্রিংকের চেয়ে ভালো কাজ করে। ডাবের জলে বায়োঅ্যাকটিভ যৌগ এবং প্রচুর ফাইবার রয়েছে। তাই এটি স্বাস্থ্যকর এবং হজমে সহায়তা করে। এটি অম্বল এবং পেট ফাঁপা কমাতে সাহায্য করতে পারে। পেট ফাঁপলে বা চোঁয়া ঢেকুর উঠলে অথবা পেটে জ্বালা অনুভব হলে, ডাবের জল পান করুন, উপকার পাবেন। হাইড্রেশন বা জলের পূর...

লিঙ্গসাম্যের দিকে এগোচ্ছে দেশ

Image
২০১১ সালে, ৯৪৩-এর তুলনায় ২০৩৬-এ প্রতি হাজার পুরুষে, মহিলাদের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ৯৫২ ভারত সরকারের রাশি-বিজ্ঞান এবং কর্মসূচি রূপায়ণ মন্ত্রক “ভারতের নারী ও পুরুষ ২০২৩”-এর ২৫তম সংখ্যা প্রকাশ করেছে। দেশের জনসংখ্যা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রভৃতি বিষয়ে নারী ও পুরুষের ভূমিকা ও অবস্থান সম্পর্কে এই প্রকাশনায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি তুলে ধরা হয়েছে। লিঙ্গ-ভিত্তিক পরিসংখ্যানের পাশাপাশি গ্রাম ও শহর ভেদে এবং ভৌগোলিক অঞ্চল ভেদে প্রাসঙ্গিক তথ্যাদি জায়গা পেয়েছে এখানে। সূত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে বিভিন্ন মন্ত্রক / দপ্তর এবং সংগঠনের দেওয়া তথ্য। “ভারতের নারী ও পুরুষ ২০২৩” শুধুমাত্র লিঙ্গসাম্যের ক্ষেত্রে অগ্রগতিকেই তুলে ধরেনি, খামতির দিকগুলিকেও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। এই প্রতিবেদন ভারতের জনবিন্যাসগত পরিবর্তন বুঝতেও বিশেষভাবে সহায়ক হবে। এই প্রতিবেদন পাওয়া যাবে মন্ত্রকের ওয়েবসাইট https://mospi.gov.in/ -এ। প্রতিবেদনে যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্পষ্ট হয়েছে তা হল, ২০৩৬ নাগাদ ভারতের জনসংখ্যা ১৫২.২ কোটি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জনসংখ্যায় মহিলাদের অনুপাত হবে ৪৮.৮ শতাংশ – যা ...

দেশে ৪১০টি পকসো কোর্ট

Image
দেশে মোট ৭৫৫টি ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট চালু রয়েছে। এর মধ্যে ৪১০টি হল পকসো আদালত ফৌজদারি বিধি সংশোধনী আইন ২০১৮ অনুসারে কেন্দ্রীয় সরকার ফাস্ট ট্র্যাক বিশেষ কোর্ট স্থাপনের জন্য একটি কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যে পকসোর অধীনে থাকা মামলাগুলি বিচারের জন্য বিশেষ আদালত গঠন করা হচ্ছে। ২০১৯ সালের অক্টোবর মাস থেকে এই কাজ শুরু হয়েছে। এর ফলে পকসোর মামলাগুলি সময়নির্দিষ্ট পথে, দ্রুত বিচার সুনিশ্চিত করা সম্ভব হবে। প্রকল্পটি প্রাথমিকভাবে এক বছরের জন্য কার্যকর করা হয়েছিল। পরবর্তীকালে তা ২০২৩ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত বাড়ানো হয়। বর্তমানে এটি ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সম্প্রসারিত করা হয়েছে। এর জন্য মোট বরাদ্দ করা হয়েছে ১৯৫২.২৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে নির্ভয়া তহবিল থেকে এসেছে ১২০৭.২৪ কোটি টাকা। চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত হাইকোর্টগুলি থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৩০টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে মোট ৭৫৫টি ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট চালু রয়েছে। এর মধ্যে ৪১০টি হল পকসো আদালত। এগুলির মাধ্যমে ২ লক্ষ্য ৫৩ হাজারেরও বেশি মামলায় নিস্পত্তি হয়েছে।  সেপ্টেম্বর - ২৪, ৩০ - ১৭, পকসো আদালত, বিচার ব্যবস্থা

বাড়বে পাম তেলের উৎপাদন

Image
ভোজ্য তেলের উৎপাদন বাড়াতে পাম গাছের চাষ  পাম তেল উৎপাদনের লক্ষ্যে, দেশের ১২ হাজার হেক্টর জমিতে ১৭ লক্ষর মতো পাম গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। দেশে ভোজ্য তেলের উৎপাদন বাড়াতে জাতীয় কর্মসূচির আওতায় এই অভিযান চালানো হয়েছে। সরকার মনে করছে, এর ফলে উপকৃত হবেন দেশের ১৫টি রাজ্যের ১০ হাজারেরও বেশি কৃষিজীবী মানুষ। অন্ধ্রপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, গোয়া, গুজরাট, কর্ণাটক, কেরল, ওড়িশা, তামিলনাড়ু, তেলেঙ্গানা, অরুণাচল প্রদেশ, আসাম, মণিপুর, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড এবং ত্রিপুরায় এই অভিযান বেশ জোরদার হয়েছে। পাম তেল প্রক্রিয়াকরণের সঙ্গে যুক্ত বড় বড় শিল্প সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ক্রমে বিভিন্ন রাজ্যে এই অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানকে সফল করে তুলতে সচেতনতা মূলক কর্মশালা, বৃক্ষ রোপণ অভিযান এবং অন্যান্য উৎসাহব্যাঞ্জক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ভোজ্য পাম তেল সম্পর্কিত জাতীয় কর্মসূচির কাজ কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে শুরু হয় ২০২১-এর আগস্ট মাসে। ভোজ্য তেলে দেশকে স্বনির্ভর করে তুলতে এবং ভোজ্য তেল আমদানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আনতে এই অভিযান শুরু করা হয়। সেপ্টেম্বর - ২৪, ৩০ - ১৬, ভোজ্য তেল, কৃষি

খরিফে বেড়েছে চাষের এলাকা

Image
এ বছর খরিফ মরশুমে চাষের এলাকা বেড়েছে বলে দাবী কেন্দ্রীয় সরকারের ২০২৪-এর ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খরিফ শস্য বপনের এলাকা সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ করেছে কৃষি এবং কৃষক কল্যাণ মন্ত্রক। এই তথ্য থেকে জানা যাচ্ছে, গত বছর ৩৯৩.৫৭ লক্ষ হেক্টর জমিতে ধান চাষ হয়েছিল। এ বছর একই সময়ে ৪০৯.৫০ হেক্টর জমিতে ধান রোপণ হয়েছে। এ বছর মোট ১২৬.২০ লক্ষ্য হেক্টর জমিতে ডাল চাষ করা হয়েছে। গত বছর ডাল চাষ হয়েছিল ১১৭.৩৯ লক্ষ হেক্টর জমিতে। এছাড়া মিলেট এবং অন্য মোটা দানা শস্যের চাষ, গত বছরে হওয়া ১৮১.৭৪ লক্ষ্য হেক্টর থেকে বেড়ে, ১৮৮.৭২ লক্ষ হেক্টর জমিতে হয়েছে। এ বছর ১৯২.৪০ লক্ষ হেক্টর জমিতে তেলবীজ চাষ করা হয়েছে। গত বছর একই সময়ে ১৮৯.৪৪ লক্ষ হেক্টর জমিতে তেলবীজ চাষ হয়েছিল। গত বছর আখ চাষ করা হয়েছিল ৫৭.১১ লক্ষ হেক্টর জমিতে। এ বছর জমির পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ৫৭.৬৮ লক্ষ হেক্টর।সব মিলিয়ে এ বছর মোট ১০৯২ লক্ষ হেক্টর জমিতে খরিফ শস্য চাষ করা হয়েছে। গত বছর এই জমির পরিমাণ ছিল ১০৬৯.২৯ লক্ষ হেক্টর। কৃষি মন্ত্রক সূত্রে এই তথ্য জানা গেলেও কীভাবে এইসব ফসলের জমির পরিমাণ বাড়ল তা নিয়ে কোনো আলোচনা করা হয়নি। সেপ্টেম্বর - ২৪, ৩০ - ১৫, কৃষি, উৎপাদন,

বনের হাল হকিকত

Image
পশ্চিমবঙ্গের ভৌগোলিক আয়তন ৮৮,৭৫২ বর্গ কিলোমিটার। এর মধ্যে নথিভুক্ত বনাঞ্চল ১১,৮৭৯ বর্গ কিলোমিটার।  পরিবেশ, বন এবং জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রকের অধীন সংস্থা দেরাদুনের ফরেস্ট সার্ভে অফ ইন্ডিয়া বা ভারতের বন সর্বেক্ষণ দেশের সমগ্র বনাঞ্চলের দ্বিবার্ষিক সমীক্ষা করে এবং এর ফলাফল প্রকাশিত হয় ইন্ডিয়া স্টেট অফ ফরেস্ট রিপোর্ট (আইএসএফআর)-এ। ২০২১-এর এই রিপোর্ট অনুযায়ী দেশের নথিভুক্ত বনাঞ্চলের আয়তন ৭,৭৫,২৮৮ বর্গ কিলোমিটার। পশ্চিমবঙ্গের ভৌগোলিক আয়তন ৮৮,৭৫২ বর্গ কিলোমিটার। এর মধ্যে নথিভুক্ত বনাঞ্চল ১১,৮৭৯ বর্গ কিলোমিটার। এর মধ্যে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের আয়তন ৭,০৫৪ বর্গ কিলোমিটার, সুরক্ষিত বনাঞ্চল ৩,৭৭২ বর্গ কিলোমিটার, শ্রেণিবিহীন বনাঞ্চল ১,০৫৩ বর্গ কিলোমিটার। ভূমি একটি রাজ্যের তালিকাভুক্ত বিষয়। বনাঞ্চল এবং তার আইনি সীমানা স্থির করে এবং তদারক করে সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকার বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রশাসন। সেইমতো কোনো বনাঞ্চল লিজ দেওয়া অথবা বরাদ্দ করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা একমাত্র সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকার বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল প্রশাসনের এক্তিয়ারে পড়ে। তবে, কোনো বনাঞ্চল অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে হলে, কে...

চাষিদের বার্ধক্য ভাতা

Image
বৃদ্ধ চাষিদের জন্য অবসরের পরে ভাতা দেওয়ার প্রকল্প হল,  কিষান মানধন যোজনা দেশের ছোট এবং প্রান্তিক চাষিদের সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনার জন্য ২০১৯-এর ১২ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী কিষান মানধন যোজনা (পিএম-কেএমওয়াই) শুরু হয়েছিল। এটি বৃদ্ধ বয়সের জন্য স্বেচ্ছামূলক অবসর ভাতা কর্মসূচি। এতে একজন যোগ্য ক্ষুদ্র এবং প্রান্তিক চাষিকে ৬০ বছর বয়সের পর মাসিক ৩ হাজার টাকা দেওয়া হয়। চাষি মারা গেলে তার স্ত্রী মাসে ১৫০০ টাকা পেতে পারে। কোনো চাষি তার ১৮-৪০ বছর বয়স অবধি, কর্মক্ষম থাকাকালীন, যদি মাসে মাসে ৫৫-২০০ টাকা জমা করে, তবেই কেন্দ্রের সরকার তার সমান পরিমাণ অর্থ জমা করে। এই অর্থ থেকেই চাষিদের ভাতা দেওয়া হয়। লাইফ ইনসুরেন্স কর্পোরেশন (এলআইসি) এই অবসর ভাতা তহবিলটির দেখভাল করে। আর এই প্রকল্পের লাভার্থীদের নথিভুক্তি হয়, কমন সার্ভিস সেন্টার্স (সিএসসি) এবং রাজ্য সরকারের মাধ্যমে। ২ হেক্টর পর্যন্ত চাষযোগ্য জমি আছে এবং ২০১৯-এর ১ আগস্ট পর্যন্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ল্যান্ড রেকর্ডে নথিভুক্ত এরকম সব চাষিই এই কর্মসূচির সুবিধা পাওয়ার যোগ্য। ২০২৪-এর ৬ আগস্ট পর্যন্ত ২৩.৩৮ লক্ষ চাষি এই কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন। স...

মায়ের নামে গাছ

Image
কেন্দ্রিয় সরকার ঠিক করেছে, কৃষি এবং সংশিষ্ট সব মন্ত্রক এই “মাতৃ বন” তৈরিতে উদ্যোগ নেবে কেন্দ্রীয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রকের ‘এক পেঢ় মা কে নাম’ কর্মসূচির আওতায় দেশজুড়ে ৫২ কোটির বেশি গাছ ইতোমধ্যেই লাগানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী, ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবসে এই কর্মসূচির সূচনা করেন। কেন্দ্রিয় সরকার ঠিক করেছে, কৃষি এবং সংশিষ্ট সব মন্ত্রক এই “মাতৃ বন” তৈরিতে উদ্যোগ নেবে। এই অভিযানের অঙ্গ হিসেবে, কেন্দ্রীয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রক, সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে দেশ জুড়ে ৮০ কোটি এবং আগামী বছরের মার্চ মাসের মধ্যে ১৪০ কোটি চারা রোপণের লক্ষ্য নিয়েছে। সরকার মনে করছে এর ফলে পরিবেশ সচেতন জীবনশৈলী গড়ে উঠবে। সুস্থায়ী কৃষির লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হবে। জমি ও জলের গুণগত মান বাড়বে, জীব বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পাবে। ভূমিক্ষয় রোধ হবে। এছাড়া চাষিরা কাঠ জাতীয় পণ্য থেকে অতিরিক্ত উপার্জনের সুযোগ পাবেন। সেপ্টেম্বর - ২৪, ৩০ - ১২, বনায়ন, জলবায়ু বদল

আনারসে বশে

Image
এই সময়ের ফল আনারস। স্বাদে ভালো। শরীরের জন্য উপকারী। এই সময়ের ফল আনারস। স্বাদে ভালো। শরীরের জন্য উপকারী। আনারস পুষ্টির একটি বড় একটি উৎস। এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন এ এবং সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাস। পুষ্টির জন্য এসব কটি উপাদানই জরুরি। আনারসে রয়েছে ব্রোমেলিন যা আমাদের হজমশক্তি ভালো করে। আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ম্যাংগানিজ। ক্যালসিয়াম হাড়ের গঠনে এবং ম্যাংগানিজ হাড়কে মজবুত করে তোলে। এই সময়ে প্রতিদিন অল্প কয়েক টুকরো খেলে, হাড়ের সমস্যাজনিত যে কোনো রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। আনারসে প্রচুর ফাইবার (আঁশ বা তন্তু) রয়েছে। আর এতে ফ্যাট বা স্নেহ পদার্থ অনেক কম থাকে। সকালের যে সময়ে ফলমূল খাওয়া হয়, তখন এই ফলের রস বা সালাদে মিশিয়ে খাওয়া অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। আনারসের ক্যালসিয়াম দাঁত রক্ষা করে। মাড়ির যে কোনো সমস্যা সমাধান করতে বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন আনারস খেলে দাঁতে জীবাণুর সংক্রমণ কম হয় এবং দাঁত ঠিক থাকে। অগস্ট - ২৪, ৩০ - ১১, স্বাস্থ্য, পুষ্টি

ওয়েনাডে ভূমিধ্বসের কারণ

Image
ভৌগোলিক এবং জলবায়ুগত কারণে কেরালার ওয়েনাড বরাবরই ভূমিধ্বস প্রবণ এলাকা ভৌগোলিক এবং জলবায়ুগত কারণে কেরালার ওয়েনাড বরাবরই ভূমিধ্বস প্রবণ এলাকা। তার সঙ্গে পরিবেশ ও প্রকৃতি ধ্বংস মিলে এবারের ভূমিধ্বস সবথেকে ভয়ংকর রূপ নিয়েছিল। বিভিন্ন কাগজপত্র ঘেঁটে এই ধ্বসের যে কারণগুলি মিলেছে সেগুলি হল, ভৌগলিক কারণঃ ওয়েনাড ভূখণ্ডটিতে রয়েছ পাহাড়ি খাড়া ঢাল এবং ভঙ্গুর মাটি। এই অঞ্চলে ল্যাটেরাইট এবং বালুকাময় মাটির মিশ্রণ রয়েছে। মাটির গঠন ঝুরঝুরে অসংখ্য ছিদ্রযুক্ত। এই মাটিতে জল বেশি ঢুকলে ভূমিধ্বসের প্রবণতা বেড়ে যায়। এবারে অতি বৃষ্টি ভূমিধ্বসের সম্ভাবনা তাই অনেক বাড়িয়ে দিয়েছিল। এখানে উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটনের জন্য ব্যাপকভাবে বন উজাড়ের ফলে ভূমিক্ষয় এবং গাছপালার আচ্ছাদন নষ্ট হয়ে যায়। জঙ্গল স্বাভাবিকভাবেই ভূমিধ্বসের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করে। কিন্তু এই অঞ্চলে বন উজাড় হওয়ায় সে সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গেছে। জলবায়ুগত কারণঃ ওয়েনাডে বেশি বৃষ্টিপাত হয়। কিন্তু এবারে মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে অতিবৃষ্টি ধ্বসকে ত্বরান্বিত করে। প্রযুক্তিগত কারণঃ রাসায়নিক চাষ পদ্ধতি, জঙ্গল কেটে নির্মাণ, পর্যটনের ...

স্কুলে প্রাতঃরাশের ব্যবস্থা

Image
তামিলনাড়ুতে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য প্রাতঃরাশের ব্যবস্থা ২০২২ সালে, তামিলনাড়ু সরকার বাছাই করা সরকারি স্কুলে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য প্রাতঃরাশের  ব্যবস্থা  করেছিল। এই প্রকল্প বর্তমানে আরো প্রসারিত করেছে। সরকারের বক্তব্য এজন্য যতই খরচ হোক না কেন, কোনো শিশুকে ক্ষুধার্ত রাখা হবে না। বর্তমানে ৩৯৫৫টি স্কুলের সাড়ে ১৮ লক্ষ পড়ুয়াকে প্রাতঃরাশ দেওয়া হবে। সরকারের মতে, এটি একটি উৎপাদনশীল বিনিয়োগ, যা অভিভাবকদের উপর বোঝা কমায়। স্কুলে উপস্থিতি বাড়ায় এবং স্কুলছুটের সংখ্যা কমায়। এই প্রকল্পটি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কামরাজের জন্মবার্ষিকীতে চালু হয়েছে। ১৯৫৭ সালে মুখ্যমন্ত্রী কামরাজ বিনামূল্যে মধ্যাহ্নভোজ প্রকল্প বা মিড ডে মিল চালু করেছিলেন যা তামিলনাড়ুতে আজ অবধি চালু রয়েছে। তবে এর আগে, ১৯২০ সালে চেন্নাই কর্পোরেশনের মেয়র পিটি থিয়াগারয়ার চেন্নাইয়ের একটি কর্পোরেশন স্কুলে মধ্যাহ্নভোজ প্রকল্প শুরু করেছিলেন। জাস্টিস পার্টি ১৯২৫ সালে এই প্রকল্পটি আরো প্রসারিত করেছিল। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে ১৯৪৭ সালে বন্ধ হয়ে যায়। অগস্ট - ২৪, ৩০ - ০৯, শিক্ষা, খাদ্য 

ছত্তিশগড়ে মাতৃভাষায় শিক্ষা

Image
ছত্তিশগড়ে প্রাথমিকে, মূলত আদিবাসী ভাষায় শিক্ষার জন্য ১৮টি স্থানীয় ভাষা এবং উপভাষায় দ্বিভাষিক বই তৈরি হবে।  ছত্তিশগড়ের সরকার সে রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষা পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ১৮টি স্থানীয় ভাষা এবং উপভাষায় দ্বিভাষিক বই তৈরির জন্য শিক্ষা বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছে। ছত্তিশগড় সরকারের মুখপাত্র বলেছেন, এই উদ্যোগটি জাতীয় শিক্ষা নীতি বা এনইপি ২০২০-এর অধীনে বৃহত্তর দৃষ্টিভঙ্গির একটি অংশ, যা শিশুদের তাদের মাতৃভাষায় শিক্ষাকে আরো দৃঢ করবে। এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হল, আদিবাসী সম্প্রদায়গুলির শিক্ষার সুযোগ এবং গুণমান বাড়ানো, যাতে পড়ুয়ারা তাদের মাতৃভাষায় শিক্ষা পেতে পারে এবং তাদের সংস্কৃতির সাথে সংযুক্ত থাকতে পারে। প্রথম পর্যায়ে, ছত্তিশগড়ি, সারগুজিহা, হালবি, সদরি, গোন্ডি এবং কুদুখ উপভাষায় পাঠ্যক্রম তৈরি করা হবে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এরাজ্যে সাক্ষরতার হার ৭০.২৮ শতাংশ, যা জাতীয় ৭৬ শতাংশের চেয়ে কম। এর জন্য রাজ্য জুড়ে সাহিত্যিক, লোকশিল্পী, শিক্ষাবিদ এবং সমাজে বিভিন্ন অংশের মানুষদের সাহায্য নেওয়া হবে। এ ছাড়া প্রবীণ নাগরিক ও শিক্ষকদের কাছ থেকেও সহযোগিতা নেওয়া হবে। সরকারের মতে...

সরকারি জৈব চাষ

Image
মাটির স্বাস্থ্য, উর্বরতা বৃদ্ধিতে বিকল্প সার হিসেবে জৈব এবং জীবাণু সারের ব্যবহারে উৎসাহিত করতে পিএম প্রণাম ভারত সরকার মাটি পরীক্ষার ভিত্তিতে জৈব এবং জীবাণু সারের সামঞ্জস্যপূর্ণ ব্যবহারে উৎসাহ দিচ্ছে। মাটির স্বাস্থ্য, উর্বরতা বৃদ্ধিতে বিকল্প সার হিসেবে জৈব এবং জীবাণু সারের ব্যবহারে উৎসাহিত করতে ‘প্রাইম মিনিস্টার প্রোগ্রাম ফর রেস্টোরেশন, অ্যাওয়ারনেস, নারিশমেন্ট অ্যান্ড অ্যামেলিওরেশন অব মাদার আর্থ’ বা পিএম-প্রণাম নামে একটি প্রকল্প চালু করেছে। এই প্রকল্পের আওতায় জৈব ও প্রাকৃতিক চাষ এবং জৈব সারে ব্যবহারে উৎসাহিত করতে, রাজ্য সরকারের মাধ্যমে সারের দামে ৫০ শতাংশ ভর্তুকি দেওয়া হয়। এই কাজে সরকার কম্পোস্ট, তরল সার এবং অন্যান্য ব্যবসায়িকভাবে জৈব সার উৎপাদককে মেট্রিক টন প্রতি দেড় হাজার টাকা করে বাজারজাত করার সহায়তা দেয়। সরকার ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষ থেকে মাটির স্বাস্থ্য এবং জল ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য পরম্পরাগত কৃষি বিকাশ যোজনা এবং মিশন অর্গ্যানিক ভ্যালু চেন ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের আওতায় তিন বছরের জন্য হেক্টর প্রতি ৪৬,৫০০ টাকা করে দেয়। এর মাধ্যমে চাষিদের মানসম্পন্ন বীজ তৈরি, রোপণে সহ...