Posts

এনজিও: কমছে বিদেশি অনুদান

২০১৯ থেকে ২ ০২২ সালের ম ধ্যে তিনটি আর্থিক বছরে দেশে ১ ৩ , ৫৫০টিরও বেশি এনজিও ৫ ৫ , ৫ ০০ কোটি টাকারও বেশি অন ুদান পেয়েছে   মঙ্গলবার ,  ১ ৯ - ১২ - ২৩ এ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই লোকসভায় এই তথ্য পেশ করেন । তিনি   আরো বলেন , "মোট ১ ৩ , ৫২০টি অ্যাসোসিয়েশন বা এনজিও গত তিন আর্থিক বছরে অর্থাৎ ২ ০১৯ - ২ ০ থ েকে ২ ০ ২ ১ - ২ ২ পর্যন্ত মোট ৫ ৫৭৪১ . ৫ ১ কোটি টাকা বিদে শ ি অন ুদান পেয়েছে"। অন্যদিকে ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বরে পি আই বি প্রকাশিত এক রিপোর্টে দেখা গেছে , ২০১৬ থেকে ২০১৯ এর মধ্যে তিনটি আর্থিক বছরে মোট ৫৮১১৩ . ৫১ কোটি টাকা সামাজিক কাজের জন্য , বিভিন্ন সংস্থা বিদেশি অনুদান পেয়েছিল । ২০১৬ - ১৭ সালে এর পরিমাণ ছিল ১৮৩৩৭ . ৬৬ কোটি , ২০১৭ - ১৮ তে ১৯৭৬৪ . ৬৪ কোটি আর ২০১৮ - ১৯ সালে ২০০১১ . ২১ কোটি টাকা ।   এই হিসেবে দেখা যাচ্ছে , এই তিন অর্থ বছরে বিদেশি অনুদান ক্রমশ বেড়েছে । মনে রাখা দরকার , ২০২০ থেকে ২০২৩ এর দীর্ঘ সময় অতিমারিতে কেটেছিল । সেই সময়ে বিভিন্ন ত্রা...

কমলার খোসার গুণ

Image
কমলাকে বলা হয় শতগুণে সমৃদ্ধ ফল। তবে কমলার খোসায়ও রয়েছে নানান উপকারিতা কমলা লেবু ও তার খোসা দুটোই পুষ্টিতে ভরপুর। তাই নিয়ম করে প্রতিদিন কমলা খাওয়া দরকার। শীতকালে বাজারে কমলার আমদানি বাড়ে। তাই পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা এই সময়ে বেশি বেশি কমলা খাওয়ার পরামর্শ দেন। কমলাকে বলা হয় শতগুণে সমৃদ্ধ ফল। কমলার খোসার নানা রকমের উপকারিতা রয়েছে। শীতের দিনে কেক বা বিস্কুট যদি তৈরি করেন, তাহলে কমলার খোসা শুকিয়ে মিহি করে বেঁটে নিন। তা কেক বা বিস্কুট বানানোর জন্য প্রয়োজন। এটি স্যালাড বানানোর কাজে লাগাতে পারেন, গন্ধের জন্য। এ ছাড়াও কমলার খোসা দিয়ে জ্যামও তৈরি করা যায়। মুখের ব্রণ সারাতে কললার খোসা ব্যবহার করা যায়। প্রথমে একটি আস্ত কমলার খোসা জল দিয়ে ফুটিয়ে নিন। জল ঠান্ডা হলে তা মুখে মেখে নিন। এটি বেশ কয়েকদিন ধরে ফ্রিজে রেখে প্রতিদিন মুখে লাগাতে পারেন। এতে কয়েকদিন পর থেকে ত্বকের উজ্বলতা হবে দেখার মতো। দাঁতের হলুদ ভাব কাটাতে কমলার খোসায় জল ছিটিয়ে তা দাঁতে ভালো করে ঘষে নিন। এতে দাঁতের হলদে ভাব নিমেষে চলে যাবে। চাইলে খোসা বেটে তা টুথপেস্টে লাগিয়েও ব্যবহার করতে পারেন। ঘরের গন্ধ দূর করতে একটি পাত্রে জল নিয়ে তাতে সামান্য...

খাদ্য স্বয়ম্ভরতা

Image
কীভাবে খাদ্য তৈরি হবে, তার ব্যবহার ও বন্টন হবে, কীভাবেই বা হবে খাদ্যের ন্যায়সঙ্গত ব্যবসা —  এসবের নিয়ন্ত্রণ থাকা উচিত  স্থানীয় মানুষদেরই হাতে... লিখছেন সুব্রত কুণ্ডু দুর্গা একজন চাষি। তার দুই ছেলে ও মেয়ে। থাকে বারুইপুরের কাছে বৈকুন্ঠপুর গ্রামে। পরিবারে সে-ই একমাত্র আয় করে। তার দু বিঘা চাষের আর পুকুর নিয়ে এক বিঘা বাস্তু জমি। এই জমিতে সে সারা বছর সবজি ও ধান চাষ করে। আগে সে ও তার বর রাসায়নিক সার, বিষ দিয়েই চাষ করত। ২০২০ সালে কোভিডের সময়, দেনার দায়ে, চাষের জন্য রাখা বিষ খেয়ে তার বর আত্মহত্যা করে। এখন দুর্গা তার জমিতে রাসায়নিক সার বিষ ছাড়া, জৈব উপায়ে চাষ করে। বালিগঞ্জ রেলস্টশনের পাশে, জৈব ফসল বিক্রির একটি দোকান আছে। মহাজনের থেকে একটু বেশি দামের আশায়, সে সপ্তাহে চার দিন এই দোকানে তার উৎপাদন করা শাক সবজি দেয়। এই আয়ে তার সংসার চলে। জৈব উপায়ে চাষের জন্য এখন তাকে জল, মাটি, বীজ ইত্যাদি সম্পদের টেকসই ব্যবহারের দিকে নজর দিতে হয়। নজর রাখতে হয় তার জমির ইকো সিস্টেম বা বাস্তু ব্যবস্থার ওপর। পাশাপাশি আয় যাতে সবথেকে বেশি হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হয়। পড়াশোনার সাথে তার ছেলে ও মেয়ে চাষের কাজে সাহায্...

বাড়ছে খেতমজুরদের আত্মহত্যা

Image
পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ওড়িশাসহ আরো কিছু রাজ্য থেকে চাষির আত্মহত্যার কোনো খবর নেই ! প্রশ্ন সব মহলেই সম্প্রতি প্রকাশিত ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো বা এনসিআরবি-এর তথ্য অনুসারে, গত এক বছরে সারা দেশে ১১,২৯০ জন চাষি এবং কৃষিকাজে যুক্ত মানুষ আত্মহত্যা করেছে। এটা ২০২০ এবং ২০২১ এর তুলনায় যথাক্রমে ৫.৭ শতাংশ এবং ৩.৭ শতাংশ বেড়েছে। ২০২২-এর পরিসংখ্যান বলছে, ভারতে প্রতি ঘন্টায় অন্তত একজন চাষি আত্মহত্যা করে। প্রকৃতপক্ষে, ২০১৯ সাল থেকে চাষিদের আত্মহত্যা ক্রমশ বাড়ছে। এনসিআরবি রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, সব থেকে বেশি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে মহারাষ্ট্রে। তারপর রয়েছে কর্নাটক, অন্ধ্র, তামিলনাড়ু এবং মধ্যপ্রদেশ। পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ওড়িশা, উত্তরাখণ্ড, গোয়া, মণিপুর, মিজোরাম, ত্রিপুরা, চণ্ডীগড়, দিল্লি, লক্ষদ্বীপ এবং পুদুচেরির মতো কিছু রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে চাষি এবং খেতমজুরদের আত্মহত্যার ঘটনা শূন্য দেখানো হয়েছে। এ নিয়ে তাই বিতর্কও দেখা দিয়েছে। এনসিআরবি-এর রিপোর্টে আরো উদ্বেগজনক যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে তা হল, খেত মজুরদের আত্মহত্যার তথ্য। খেত মজুরারা সাধারণত, দৈনিক মজুরির উপর নির্ভর করে। কৃষিকাজে নিয়োজিত মানুষদের...

মাটি মা মানুষ

Image
মাটি আসলে জৈব পদার্থ, খনিজ পদার্থ, গ্যাস, তরল এবং জীবন্ত প্রাণীর সমন্বয়ে গঠিত একটি জটিল মিথস্ক্রিয় ব্যবস্থায় সৃষ্ট এক সম্পদ পৃথিবী সব থেকে বেশি যে সম্পদ রয়েছে সেটি হল মাটি। মাটি জীবনকে টিকিয়ে রাখতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু মাটির সরক্ষণে বরাবরই খুব কম গুরুত্ব দেওয়া হয়। মাটি আসলে জৈব পদার্থ, খনিজ পদার্থ, গ্যাস, তরল এবং জীবন্ত প্রাণীর সমন্বয়ে গঠিত একটি জটিল মিথস্ক্রিয় ব্যবস্থা। এই জটিল ব্যবস্থা সব জীবের প্রাণের সংরক্ষক। এর মধ্যে থাকা জৈব উপাদান, যেমন হিউমাস এবং অণুজীব, মাটিকে বাস্তুতন্ত্রের একটি প্রাণবন্ত এবং অপরিহার্য উপাদানে রূপান্তরিত করে। মাটি হল জীবনের ভিত্তি, খাদ্য উৎপাদন, জল পরিশোধন, বন্যা সুরক্ষা, খরা প্রতিরোধ করে এবং প্রয়োজনীয় খনিজ সরবরাহ করে। একই সঙ্গে যথেষ্ট পরিমাণে কার্বন গ্রহণ করে জলবায়ু বদল প্রশমিত করতে সাহায্য করে। সুস্থ মাটি ছাড়া, বেঁচে থাকার মৌলিক উপাদান, খাদ্য উৎপাদনই ব্যাহত হয়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, গত ৪৫ থেকে ৬০ বছরে, মাত্র ৮০ থেকে ১০০টি ‘আধুনিক’ ফসলের ওপর নির্ভর হয়ে, আমরা মাটির ব্যবহারকে সীমিত করে দিয়েছি। ফলে বেশিরভাগ মানুষের খাদ্য স্বয়ম্ভ...

বিপর্যয়ের ঝুঁকিতে রাজ্যের ১৪টি জেলা

Image
প্রাকৃতিক দিক থেকে পশ্চিমবঙ্গের চরম ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলি হল, মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা ন্যাশনাল ইনোভেশনস অন ক্লাইমেট রেসিলিয়েন্ট এগ্রিকালচার (নিক্রা), দেশের মোট ৩১০টি জেলাকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জেলা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এর মধ্যে ১০৯টি জেলা চরম ঝুঁকিপূর্ণ আর ২১০টি অত্যধিক ঝুঁকিপূর্ণ। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ এগ্রিকালচারাল রিসার্চ খাদ্য উৎপাদনের উন্নতির জন্য, জলবায়ু সহনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবন করেছে। ২০১৪ সাল থেকে এযাবৎ তারা ১৯৭১টি জলবায়ু সহনশীল জাত উদ্ভাবন করেছে। এর প্রসারের জন্য, একদিকে তারা যেমন ফসল সরবরাহ করছে। অন্যদিকে গ্রাম পর্যায়ের জল সম্পদ বৃদ্ধি এবং তার ব্যবস্থাপনার জন্য সামূহিক বা কমিউনিটি ট্যাঙ্ক/পুকুরের সংস্কার; জল ব্যবহারের দক্ষতা উন্নত করা; জমি সমতলকরার কাজ; মাটি পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী সমন্বিত পুষ্টি ব্যবস্থাপনা; ফসলের নার্সারি; আকস্মিক বিপর্যয়ের পর ফসল পরিকল্পনা; ধানের ফলনে টেকসই কৃষির প্রসার এবং হাল না চষে ধানের চাষ করতে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া কৃষিকাজে ছোটখাট যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য কাস্টম হায়ারিং সেন্টার তৈরি করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বীজ ধান সরবরাহ, জমিতেই ফসলের অবশিষ্...

বর্তমান কৃষি, জলবায়ু আর পারম্পরিক চাষ

Image
পারম্পরিক ব্যবস্থায় উৎপাদন স্থানীয় নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই চাষ টেকসই হয়। উৎপাদন, বন্টন সবই স্থানীয়ভাবে হতে পারে পর্যাপ্ত খাদ্য এবং পুষ্টির সুযোগ পাওয়া একটি মৌলিক মানবাধিকার। তবুও বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ পুষ্টিকর খাদ্য এবং বিশুদ্ধ জল পায় না। বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এবং ক্ষুধা ও অপুষ্টি মোকাবিলায় বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রতি বছর ১৬ অক্টোবর বিশ্ব খাদ্য দিবস পালিত হয়। লক্ষ্য হল, প্রত্যেকের নিরাপদ, পুষ্টিকর এবং পর্যাপ্ত খাবারের সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য টেকসই কৃষি এবং খাদ্য ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা কথা তুলে ধরা। তবে এই ‘দিবস’ ধুমধাম করে পালন করা হলেও, কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। তাই খাবারের অভাবও পূরণ হচ্ছে না। টেকসই কৃষি তো দূর অস্ত। উদাহরণ হিসেবে ভারতের অবস্থাই ধরা যাক— ভারত, জলবায়ু বদলের হিসেবে সপ্তম সবচেয়ে ঝুঁকি পূর্ণ দেশ। কাউন্সিল অন এনার্জি এনভায়রনমেন্ট অ্যা ন্ড ওয়াটারের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ভারতের প্রতি চারটি জেলার মধ্যে তিনটি হল চরম জলবায়ু ঘটনার হটস্পট। এই জেলাগুলিতে অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, সমুদ্রতলের উচ্চতা বৃদ্ধি, খরা, বন্যা ও তাপপ্রবাহের ক্রমবর্ধমান ...

টান পড়ছে ভূজলে

Image
সারা বিশ্বে ভূজলেই হ্য ৪০ শতাংশ কৃষিকাজ। ভূজল যেহেতু সীমিত, তাই বেশি তুলে ফেললে এই জল কমে যায় চাষে জল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জলের অভাব হলে চাষিদের ভূমির নিচের জল বা ভূজলের ওপর উপর নির্ভর করতে হয়। সারা বিশ্বে ৪০ শতাংশ কৃষি নির্ভর করে ভূজলের ওপর। ভূজল যেহেতু সীমিত, তাই সময়ের সঙ্গে এই জল কমে যায়। ভারতের খাদ্য ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত পাঞ্জাব। কিন্তু অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে ভুজলের টান পড়ছে এই রাজ্যে। এখানকার চাষিদের বক্তব্য, দশ বছর আগে পাঞ্জাবের বেশিরভাগ এলাকায় ৯ থেকে ১২ মিটার গভীরতায় ভূজল পাওয়া যেত। এখন ভূজল ১৮ থেকে ২১ মিটারের মধ্যে পাওয়া যায়। রাজ্যটির বিভিন্ন অংশে সপ্তাহে মাত্র একবার সেচ খালের জল আসে— যেটা যথেষ্ট নয়। তাই এখানকার চাষি ভুজলের ওপর বেশি নির্ভরশীল। ভূজল পেতে তাই প্রায়শই আরো গভীরে খনন করতে হয়। এটা শুধু ভবিষ্যতের চাষের সমস্যা তৈরি করছে তা নয়। ভূজল ব্যবহার করা খুবই ব্যয়বহুল। কিন্তু এই রাজ্যের চাষিদের হাতে কোনো বিকল্প নেই। ভূজলের তল নীচে নেমে যাওয়ায় শুধু ক্ষেতের মালিকরাই নয়, সকলেরই ক্ষতি। কারণ পানীয় জলের উৎসও ভূজল। পশ্চিমবঙ্গের অবস্থাও তথৈবচ। বিশেষ করে বোরো মরশুমে চাষের জন্য এত ...

ফেরত আসছে বিষাক্ত ফসল

Image
২০২২ সালে অত্যাধিক কীটনাশক অবশেষ থাকায়, ভারত থেকে কৃষিপণ্যের ৬৭৫টি চালান ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্তে আটকে দেওয়া হয় ২০১৮’র ডিসেম্বরে বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রক ভারতের কৃষি সামগ্রী রফতানি বাড়াতে একটি বিস্তৃত নীতি চালু করেছিল। এই নীতির লক্ষ্য ছিল, ভারতের কৃষি রফতানি দ্বিগুণেরও বেশি করা। অর্থাৎ ২০১৮ সালের ৩০০০ কোটির কৃষি রফতানি বাণিজ্য ২০২২-এ ৬০০০ কোটি মার্কিন ডলারে নিয়ে যাওয়া। কিন্তু কীটনাশক এবং নানা রাসায়নিকের অবশেষ, ভারতের কৃষি রফতানির জন্য চিন্তার প্রধান কারণ হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক সময়ে, উচ্চমাত্রায় রাসায়নিক অবশেষের উপস্থিতির জন্য, বেশ কয়েকটি দেশ ভারতের কৃষিপণ্য নিতে অস্বীকার করেছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ২০২২ সালে অত্যাধিক কীটনাশক অবশেষ থাকায়, ভারত থেকে কৃষিপণ্যের ৬৭৫টি চালান ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্তে আটকে দেওয়া হয়। ২০২১ সালে একইভাবে ২১২টি চালান ইওরোপের দেশগুলি প্রত্যাখ্যান করেছিল। ভারতের জিরের সব থেকে বড় ক্রেতা চিন। ২০২১ সালে চিন কীটনাশক অবশেষের কারণে প্রায় ১৩ শতাংশ কম জিরে রফতানি হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন দেশ কীটনাশকের কারণে আম, আঙুর, ঢ্যাঁড়শ, চিনাবাদাম, কারি পাতা, লঙ্কা এবং তেঁতুলের চা...

নাড়া পুড়িয়ে মারণ গ্যাস

Image
নাড়া পোড়ালে কার্বন মনোক্সাইড, মিথেন, ক্যান্সার সৃষ্টিকারী পলিসাইক্লিক অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন, উদ্বায়ী জৈব যৌগ তৈরি হয় ‘কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি এবং পরিবেশ মন্ত্রক পাঞ্জাব, হরিয়ানা এবং উত্তর প্রদেশ এবং দিল্লির প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে নাড়া পোড়ানো একেবারে বন্ধ করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এজন্য চারটি রাজ্যকে ক্রপ রেসিডিউ ম্যানেজমেন্ট (সিআরএম) প্রকল্পের অধীনে পর্যাপ্ত তহবিল সরবরাহ করছে’। এবছর অগস্টের সংবাদ পরিষেবায় আমরা একথা জানিয়ে ছিলাম। কিন্তু নভেম্বরে এসে দেখা গেল— ৭ নভেম্বর অবধি পাঞ্জাবে ২২,৬৪৪টি নাড়া পোড়ানোর ঘটনার রেকর্ড করা হয়েছে, যা মোট ঘটনার ৯৩ শতাংশ। পাঞ্জাব ধানের খামারগুলিতে অক্টোবর এবং নভেম্বর মাসে প্রায় ৭০-৮০ লক্ষ মেট্রিক টন নাড়া পোড়ানো হয়। এতে কার্বন মনোক্সাইড, মিথেন, ক্যান্সার সৃষ্টিকারী পলিসাইক্লিক অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন, উদ্বায়ী জৈব যৌগ তৈরি হয়। এই দূষণের এত প্রভাব যে, পাঞ্জাবে নাড়া পোড়ানো হলে দিল্লির মানুষের শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। বেশ কিছুদিন স্কুল, কলেজ, অফিস-আদালত বন্ধ রাখতে হয়। এবছরও কোনো ব্যতিক্রম হয়নি। আগে দিল্লি এবং পাঞ্জাব সরকার একে অন্যকে দোষারোপ করত। কিন্তু এখন ...