Posts

জাম জমাট

Image
জাম হৃদরোগ,  ডায়াবেটিসের  ঝুঁকি কমায়। হজমে সাহায্য করে।  জাম একটি সুস্বাদু ফল যা ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ সমৃদ্ধ। গ্রীষ্মের এই ফলের অনেক ঔষধি গুণ রয়েছে। এটি দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনই এই ফলের পুষ্টিগুণ অনেক দামি ফলকেও হার মানায়। জামে থাকা ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম ও বিভিন্ন ভিটামিন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দিতে পারে। এই ফল যে কোনো রকম সংক্রমণের উপশমে সহায়তা করে। হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। হজম বা পরিপাকে সাহায্য করে। ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়। জাম মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। যারা রক্তাল্পতায় ভুগছেন, তারা নিয়মিত জাম খেতে পারে। রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে জামের জুড়ি নেই। অনেকেরই কোনো কিছুই মুখে রোচে না। রুচি ফিরিয়ে আনতে তারা জাম খেতে পারে। দাঁত, চুল ও ত্বক সুন্দর করতে খেতে পারেন জাম। জামের মধ্যে থাকা বিভিন্ন উপাদান ত্বক ও চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। দামি ফল বা খাবার মানেই যে পুষ্টিগুণ বেশি, এমন ভাবা মোটেও যুক্তিযুক্ত না। আপনার আশেপাশে যে দেশজ ফল আছে, বিশেষ করে যে মরশুমে যে ফল পাওয়া যায়, সেগুলি খাওয়ার চেষ্টা করুন। মে - ২৪, ২৯-৭১, স্বাস্থ্য, পুষ্টি 

জলবায়ু বদলে শিক্ষানাশ

Image
পরিবেশ বিপর্যয়, বিশেষ করে জলবায়ু বদলের কারণে শিক্ষার প্রসার বাধা পাচ্ছে লিখছেন  সুব্রত কুণ্ডু তাপপ্রবাহের কারণে ২২ এপ্রিল থেকে স্কুলগুলিতে অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণা করেছিল রাজ্য সরকার। এ বছর গরমের ছুটি ৫ মে থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল। অর্থাৎ বেশ কিছু দিন ধরে, বিশেষ করে, প্রাথমিক স্তরে পঠনপাঠন বন্ধ থাকবে। গত বছরও একই ঘটনা ঘটেছিল। সারা রাজ্যে গরমের জন্য আগেই স্কুল ছুটি দিয়ে দেওয়া হল। প্রবল বিতর্ক হল। কারণ দক্ষিণবঙ্গে গরম থাকলেও সে সময় উত্তরবঙ্গের অনেক জায়গায় আগাম বৃষ্টির কারণে আবহাওয়া গরম ছিল না। বিতর্ক যাই হোক না কেন? পরিবেশ বিপর্যয়, বিশেষ করে জলবায়ু বদলের কারণে শিক্ষার প্রসার বাধা পাচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের একটি নতুন পলিসি নোটে এ কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বিভিন্ন সাম্প্রতিক প্রমাণ সহযোগে সেখানে জানানো হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তন কীভাবে শিক্ষার প্রসারে বাধার সৃষ্টি করছে। যার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন বিপর্যয়ের কারণে অতিরিক্ত দিন স্কুল বন্ধের ঘটনা— যা এই নিবন্ধের শুরুতেই বলা হয়েছে। শিক্ষা বিষয়ক এক কেন্দ্রীয় সরকারি নোটে বলা হয়েছে, গত ২০ বছরে প্রায় ৭৫ শতাংশেরও বেশি স্কুল চরম আবহাওয়া এবং পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে ...

বিপদে পরিবেশ সাংবাদিক

Image
বিশ্বব্যাপী পরিবেশ সাংবাদিকরা আরো বেশি হিংসার সম্মুখীন হচ্ছে বিশ্বব্যাপী পরিবেশ সাংবাদিকরা ক্রমশ আরো বেশি করে হিংসার সম্মুখীন হচ্ছে। গত ৩ মে, প্রেস ফ্রিডম ডে (সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা দিবস) উপলক্ষে ইউনেস্কোর প্রকাশিত একটি নতুন রিপোর্টে এ কথা বলা হয়েছ। রিপোর্টটিতে বলা হয়েছে, গত ১৫ বছরে ৪৪ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছে। এর মধ্যে সব থেকে বেশি পরিবেশ সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে। এই অঞ্চলে ৩০ জন এবং ল্যাটিন আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে ১১ জন সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে। ‘প্রেস অ্যান্ড প্ল্যানেট ইন ডেঞ্জার’ নামে এই রিপোর্ট অনুযায়ী, ১২৯টি দেশের মোট ৯০৫ সাংবাদিক এবং মোট সমীক্ষা করা সংস্থার ৭০ শতাংশেরও বেশি সংস্থা জানিয়েছে যে, তাদের উপর হামলা, হুমকি বা চাপ দেওয়া হয়েছে পরিবেশ সাংবাদিকতা করার জন্য। রিপোর্টটি প্রকাশিত হয়েছিল চিলির সান্তিয়াগোতে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ডে গ্লোবাল কনফারেন্সে। রিপোর্টটিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে যে। ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে হিংসার সংখ্যা বেড়েছে। আর খুব নির্দিষ্টভাবে বললে ২০১৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে মোট ৩০৫টি আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে...

শিশুদের জন্য নয়া পাঠ্যক্রম

Image
মহিলা এবং শিশু বিকাশ মন্ত্রক আর্লি চাইল্ডহুড কেয়ার অ্যান্ড এডুকেশন বা ইসিসিই ২০২৪ নামে একটি জাতীয় পাঠ্যক্রম চালু করেছে সম্প্রতি ভারত সরকারের মহিলা এবং শিশু বিকাশ মন্ত্রক আর্লি চাইল্ডহুড কেয়ার অ্যান্ড এডুকেশন বা ইসিসিই ২০২৪ নামে একটি জাতীয় পাঠ্যক্রম চালু করেছে। এটি তিন থেকে ছয় বছর বয়সী শিশুদের জন্য ন্যাশনাল কারিকুলাম ফ্রেমওয়ার্ক ফর দ্য ফাউন্ডেশন স্টেজ ২০২২ (এনসিএফ-এফএস) অনুসারী একটি পাঠ্যক্রম। এখানে শিশুদের শারীরিক, মানসিক, ভাষা এবং সাক্ষরতা, সংস্কৃতি, নান্দনিকতার পাশাপাশি ইতিবাচক অভ্যাসও তৈরির ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এটি একটি সহজ এবং ব্যবহারকারীর উপযোগী পাঠ পরিকল্পনা। এর লক্ষ্য, উল্লেখ করা বিভিন্ন বিষয়গুলিকে অগ্রাধিকার দিয়ে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র পরিচালিত পাঠের গুণমান উন্নত করা। এই পাঠ্যক্রমে শিশুদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য প্রস্তুত করার বিষয়েও জোর দেওয়া হয়েছে। এজন্য বিভিন্ন খেলা বা গেম-এর মাধ্যমে মজাদার বা আনন্দময় শিক্ষা উপর জোর দেওয়া হয়েছে। পাঠ্যক্রমটির জন্য ৪৮ সপ্তাহের একটি ক্যালেন্ডার ডিজাইন করা হয়েছে। যার মধ্যে উপরে উল্লেখ করা সবকটি বিষয়কেই রাখা হয়েছে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ...

জল বাঁচিয়ে ধান চাষ

Image
হরিয়ানার চাষিরা ৭২ হাজার একর জমিতে সরাসরি ধান বুনে চাষ করে ৩১,৫০০ কোটি লিটার জল বাঁচিয়েছে পাঞ্জাব, হরিয়ানাসহ সমগ্র উত্তর ভারত সবার আগে সবুজ বিপ্লবের চাষ শুরু হয়েছিল গত শতাব্দীর সাতের দশকে। কিন্তু তার পরের তিন দশকের মধ্যে চাষে থেকে নানা সংকট দেখা দেয়। চাষের জলের অভাব, রাসায়নিক বিষের দুষণ, চাষের খরচ বৃদ্ধি, জীব বৈচিত্রের সংকট ইত্যাদি। আর সেই কারণে সরকারের পক্ষ থেকে বহুমুখী ফসল চাষের ওপর জোর দেওয়া হয়। কিন্তু তা সফল হয়নি। দেখা গেছে প্রতি বছরই ধান চাষের এলাকা বেড়েছে। কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রকের ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩-এ প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, ২০২৩ সালে, হরিয়ানায় ১৫.২ লক্ষ হেক্টর জমিতে এবং পাঞ্জাবে ৩২ লক্ষ হেক্টর জমিতে ধান চাষ করা হয়েছিল, যা গত কয়েক বছরের থেকে বেশি। হরিয়ানায়, 'মেরা পানি মেরা বিরসাত' স্কিম এবং ধান চাষের আওতাধীন এলাকা কমানোর লক্ষ্যে, গত পাঁচ বছর ধরে বিভিন্ন শস্য বৈচিত্র পরিকল্পনা সত্ত্বেও, ধানের আওতাধীন এলাকা ক্রমাগত বাড়ছে। এ থেকে বলা যায়, ফসল বহুমুখীকরণে সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। এটি লক্ষণীয়, দেশের ধান উৎপাদনে প্রায় ১৫ শতাংশ, সরকারি সংগ্রহে ৩০ শতাংশ এবং বাসমতি চাল রফ...

জলবায়ু বদল রুখতে মিলেট চাষ

Image
মিলেট চাষে রাসায়নিকের ব্যবহার হয় না বললেই চলে। তাই গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন কম হয় আন্তর্জাতিক মিলেট বর্ষ ২০২৩ গত ২৯ মার্চ, ২০২৪-এ ইতালির রোমে ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশন (এফএও) এর সদর দফতরে একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শেষ হয়েছে। ২০২১ সালে মিলেট বা শ্রী অন্ন নিয়ে ভারতের একটি প্রস্তাবে, রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭০টিরও বেশি দেশ সমর্থন করে। সে জন্য ২০২৩ সাল কে আন্তর্জাতিক মিলেট বছর হিসেবে ঘোষণা করা হয়। জোয়ার, বাজরা, রাগি, কোদোসহ আরো অনেকে ধরনের মিলেট এ দেশে এবং সারা বিশ্বজুড়ে চাষ হত। কিন্তু ধান, গম, ভুট্টা চাষের প্রাবল্যে এসবের চাষ প্রায় শেষ হয়ে গেছে। এই চাষ ফিরিয়ে আনতে, ২০২৩ সালকে মিলেট বছর হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। মিলেট একেবারে কম জলে ফলে। প্রতিকূল জলবায়ুতেও উৎপাদন হয়। এজন্য খাদ্য নিরাপত্তা, ধারাবাহিক খাদ্য সরবরাহ এবং সুস্থায়ী বাজারের সুযোগ তৈরি করে। মিলেট এমনই ফসল যার চাষে খুব সামান্যই জল লাগে। যে কোনো মাটিতেই হয় এবং রোগ পোকার উপদ্রব খুব একটা দেখা যায় না। ফলে দামি সার, বিষের দরকার হয় না। তাই এই চাষে স্বনির্ভরতা এবং আমদানি করা সামগ্রীর উপর নির্ভরতা কমে। এসব মিলে দেশগুলির খাদ্য...

প্রতিদিন অপচয় ১০৫ কোটি টন খাদ্য

Image
 খাবার অপচয়ের জন্যও জলবায়ু বদল হচ্ছেঃরিপোর্ট ইউনাইটেড নেশনস এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রাম (ইউএনইপি)-এর ফুড ওয়েস্ট ইনডেক্স রিপোর্ট – ২০২৪-এ উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্বের মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। অথচ প্রতিদিন ১০৫ কোটি টন খাবার অপচয় হচ্ছে। এর প্রায় ২০ শতাংশ খাবার আবর্জনা হিসেবে ফেলে দেওয়া হয়। রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে, পরিবার, খুচরো দোকান এবং খাদ্য পরিষেবার ফলে প্রায় ১৯ শতাংশ অপচয় হয়। খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)-এর অনুমান মাঠে উৎপাদন থেকে দোকানে বিক্রি পর্যন্ত, খাদ্য চলাচলে ১৩ শতাংশ অপচয় হয়। মানুষ যখন খেতে পাচ্ছে না, সেসময় এই অপচয় এক দুঃখজনক ঘটনা। এর ফলে শুধু অর্থনীতিই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না, জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্রের ক্ষতি ও দূষণও বাড়ছে। প্রতিবেদনটিতে দেখা গেছে, বেশিরভাগ খাদ্য অপচয় পরিবারের মধ্যে ঘটে, যা প্রায় ৬৩.১ কোটি টন। এরপর খাদ্য পরিষেবা খাতে ২৯ কোটি এবং ব্যবসায় ১৩.১ কোটি টন খাবার অপচয় হয়। এই খাবার দিয়ে বিশ্বের প্রতিটি ক্ষুধার্ত মানুষকে এক বেলার বেশি সময়ের খাবার পরিবেশন করা যায়। উল্লেখ্য যারা খেতে পায় না এবং যারা কোনোক্রমে খাবার জোগাড় করে তারা খাদ্যের ম...

খরায় শুখা জলাধার

Image
আইআইটি গান্ধিনগর থেকে প্রকাশিত ইন্ডিয়া ড্রাউট মনিটর জানাচ্ছে, এ দেশের অন্তত ৩৫.২ শতাংশ এলাকায় বর্তমানে খরা চলছে নদী অববাহিকার মানচিত্র দেখায় যে গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র, সিন্ধু, কাবেরী অববাহিকার অনেক এলাকা বিভিন্ন মাত্রার খরার সম্মুখীন। আইআইটি গান্ধিনগর থেকে প্রকাশিত ইন্ডিয়া ড্রাউট মনিটর জানাচ্ছে, এ দেশের অন্তত ৩৫.২ শতাংশ এলাকায় বর্তমানে খরা চলছে। এর মধ্যে ৭.৮ শতাংশ এলাকা 'চরম' খরা এবং ৩.৮ শতাংশ 'অস্বাভাবিক' খরার আওতায় রয়েছে। এক বছর আগে, এটি ছিল যথাক্রমে ৬.৫ শতাংশ এবং ৩.৪ শতাংশ। কর্ণাটক এবং তেলেঙ্গানার মতো রাজ্যগুলিতে বৃষ্টিপাতের ঘাটতি দেশের প্রধান জলাধারগুলিকেও শুকিয়ে দিয়েছে। এই মুহূর্তে, ভারতের ১৫০টি প্রধান জলাধারের ধারণ ক্ষমতা, তাদের মোট ধারণ ক্ষমতার ৩৬ শতাংশে নেমে এসেছে। বর্তমানে, অন্তত ছয়টি জলাধারে কোনো জল নেই। ৮৬টি এমন জলাধার রয়েছে, যেগুলিতে তাদের মোট ধারণ ক্ষমতার থেকে ৬০ শতাংশ জল কম রয়েছে। ২৮ মার্চ প্রকাশিত মনিটরের সাপ্তাহিক বুলেটিন অনুসারে, এর জলাধারগুলির মধ্যে বেশিরভাগই রয়েছে দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে, মহারাষ্ট্র এবং গুজরাটে। এপ্রিল - ২৪, ২৯-৬৪, খরা, পরিবেশ

রাজ্যে অসার শিক্ষা

Image
এ রাজ্যে ১৪-১৮ বছরের পড়ুয়াদের মধ্যে প্রায় ৭৯.২ শতাংশ একটি সংখ্যা দিয়ে ৩ অঙ্কের ভাগ করতে পারে নাঃ আসার রিপোর্ট অ্যানুয়াল স্টেটাস অব এডুকেশন রিপোর্ট বা আসার রিপোর্ট হল, একটি দেশব্যাপী নাগরিক-নেতৃত্বাধীন পারিবারিক সমীক্ষা। এই সমীক্ষা গ্রামীণ ভারতের শিশুদের স্কুল ও শিক্ষার অবস্থা সম্পর্কে জানতে সাহায্য করে। প্রথম ফাউন্ডেশন নামে একটি এনজিও’র নেতৃত্বে এই সমীক্ষা ২০০৫ সালে শুরু হয়। আগে প্রতিবছর হলেও, ২০১৬ সাল থেকে এক বছর অন্তর এই সমীক্ষা করা হচ্ছে। এটা আসারের ১৮তম রিপোর্ট। সারা ভারত জুড়ে এই সমীক্ষা করা হয়। আমাদের রাজ্যে এই সমীক্ষা করা হয় কোচবিহার জেলার ৬০টি গ্রামের ১২০০টি পরিবারে। এজন্য ১৪-১৮ বছরের মোট ১,৩৬১ জন কিশোর-কিশোরীর তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সমীক্ষা রিপোর্টটি প্রকাশ হয় ২০২৪ সালের ১৯ জানুয়ারি। সমীক্ষাটিতে এবছর ১৪-১৮ বছরের পড়ুয়াদের দৈনন্দিন গণনা, পড়া, লিখিত নির্দেশাবলী বোঝা, আর্থিক গণনা এবং ডিজিটাল শিক্ষা, বুনিয়াদি অঙ্ক এবং পড়ার দক্ষতার মূল্যায়ন করা হয়েছিল। এই সমীক্ষায় দেখা গেছে, ১৪-১৮ বছরের কিশোর-কিশোরীদের ৯০.৪ শতাংশ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়েছিল জেলার ১৪-১৮ বছরেরে পড়ুয়াদের ৭৯ ...

গরম জলের উপকারিতা

Image
নিয়ম করে খালি পেটে কুসুম গরম জল খেলে বেশ কিছু রোগের থেকে মুক্তি পাওয়া যায় সকাল ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে জল খাওয়ার উপকারিতার কথা আমরা সবাই জানি। আমাদের শরীরের ৭০ শতাংশই জল । তাই শরীর সুস্থ ও সতেজ রাখার জন্য জল খাওয়া খুবই জরুরি। তবে প্রতিদিন সকালে নিয়ম করে খালি পেটে কুসুম গরম জল খেলে বেশ কিছু রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। যারা কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ব্যথা, গ্যাস ও অম্বলের সমস্যায় ভোগেন, তাদের জন্য গরম জল খুব ভালো কাজ করে। সকালে খালি পেটে গরম জল খাওয়ার অভ্যাস, এসব সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। হজমের সমস্যা হলে প্রতিদিন খালি পেটে এক গ্লাস করে কুসুম গরম জল পান করতে পারেন। এতে হজম শক্তি বাড়ে এবং সহজেই খাবার হজম হয়। সারা শরীরের ছড়িয়ে থাকা বিষাক্ত পদার্থ বেরিয়ে যাবে যদি নিয়মিত কুসুম গরম জল খান। গরম জল শরীরে রক্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। সকালে গরম জল খেলে, শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত চর্বি কমে। এছাড়া দ্রুত ঝরাতে পারে বাড়তি ওজন। ঋতুস্রাবের সময় পেটে ব্যথার হাত থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য গরম জল খুবই উপকারী। মাথা ব্যথার সমস্যা থাকলেও গরম জল পান করতে পারেন। গরম জল গলার সমস্যা থেকেও মুক্তি দেয়। গলা শুকিয়ে আসলে সাম...