Posts

প্রাকৃতিক পুঁজির মাপকাঠি ইকোলজিক্যাল ফুটপ্রিন্ট

Image
আমাদের চাহিদা মেটাতে, আর যে বর্জ্য আমরা তৈরি করি তা বিলীন হতে  বা প্রকৃতিতে মিশে যেতে দেড় খানা পৃথিবী দরকার, লিখছেন  সুব্রত কুণ্ডু আমাদের চাহিদা মেটাতে, আর যে বর্জ্য আমরা তৈরি করি তা বিলীন হতে বা প্রকৃতিতে মিশে যেতে দেড় খানা পৃথিবী দরকার। গ্লোবাল ফুট প্রিন্ট নেটওয়ার্ক নামে একটি সংস্থা এসব হিসাবকিতাব করে। এর থেকে তারা প্রতিবছর আর্থ ওভারসুট ডে বলে একটা দিন ঠিক করে। আর্থ ওভারশুট ডে হল একটি দিন, যে দিনটির মধ্যে আমরা ওই বছরে আমাদের জন্য বরাদ্দ সম্পদ ব্যবহার করে ফেলি। ২০২১-এ এই দিনটি ছিল ২৯ জুলাই। ২০০০ সালে ওভারসুট ডে ছিল ২৩ সেপ্টেম্বর। আর ২০১০ থেকে ১৮ সালের মধ্যে এই দিনটি অগস্টের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই ঘোরাফেরা করেছে। ২০২০ তে আমরা পৃথিবীর সম্পদ কম ব্যবহার করেছিলাম করোনা মহামারির কারণে। তাই এই দিনটি পেছিয়ে হয়েছিল ২২ অগস্ট। এই তথ্য বলছে, প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারের পরিমাণ বাড়ছে। আর আমরা চাইলে এই সম্পদ ব্যবহার কমাতেও পারি। যদিও এই হিসেব নিয়ে বিজ্ঞানী মহলে কিছু বিতর্ক আছে। তবে বেশিরভাগ বিজ্ঞানী স্বীকার করেন যে, এটি ভঙ্গুর উন্নয়ন ব্যবস্থাকে খুব ভালোভাবেই বোঝাতে পারে। হিসেবটি আরেকটু সহজ করে...

ঘুর্ণীঝড়ের পরিমাণ বাড়ছে

Image
পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, অন্ধপ্রদেশ এবং তামিলনাড়ু ও পুদুচেরির নিচু উপকূলীয়  অঞ্চলগুলি ঘুর্ণী ঝড়ের প্রভাবে বেশি প্রভাবিত হয়েছে।  বিগত কয়েক বছরে ঘূর্ণিঝড় এবং ভারী ও অতিভারী বৃষ্টির পরিমাণ বেড়েছে। ১৯৯১ থেকে ২০২০ পর্যন্ত সময়কালে ভারত মহাসাগরে (বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগর) অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের তথ্য বিশ্লেষণ এসব জানা গেছে। বঙ্গোপসাগর এবং আরব সাগরের ওপর সৃষ্টি হওয়া পাঁচটি ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে গড়ে তিন থেকে চারটি ভূমিতে আছড়ে পড়ে জীবন ও সম্পত্তির ক্ষতি করেছে। পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, অন্ধপ্রদেশ এবং তামিলনাড়ু ও পুদুচেরির নিচু উপকূলীয় অঞ্চলগুলি এইসব ঝড়ের প্রভাবে বেশি প্রভাবিত হয়েছে। বর্তমানে আবহাওয়ার পূর্বাভাষ নিখুঁত হওয়ায় মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেলেও, প্রচুর সম্পত্তির ক্ষতি হয়েছে। মারা পড়ছে অনেক গবাদি পশু। জানুয়ারি -২২, ২৭- ৪৩, পরিবেশ, দুর্যোগ

জৈব চাষে সরকার

Image
সরকার পরম্পরাগত কৃষি বিকাশ যোজনার মাধ্যমে চাষিদের জৈব চাষে উৎসাহ দিচ্ছে। এই দুটি প্রকল্প ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে শুরু হয়েছিল। সরকার পরম্পরাগত কৃষি বিকাশ যোজনা বা পিকেভিওয়াই এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য মিশন অরগ্যানিক ভ্যালু চেন ডেভেলপমেন্ট ইন নর্থইস্ট রিজিয়ন (এমওভিসিডিএনইআর )-এর মাধ্যমে চাষিদের জৈব চাষে উৎসাহ দিচ্ছে। এই দুটি প্রকল্প ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে শুরু হয়েছিল। প্রকল্প দুটির মাধ্যমে চাষিরা জৈব পদ্ধতিতে ফসল ফলালে তার জন্য শংসাপত্র বা সার্টিফিকেট দেওয়া, জৈব ফসল বাজারজাত করা, এবং তার প্যাকেজিং ও মজুত করার কাজে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। পিকেভিওয়াই দেশের সব রাজ্যে জৈব চাষে উৎসাহ দিয়ে থাকে। প্রকল্পটিতে তিন বছরের মেয়াদে চাষিদের হেক্টর পিছু জমিতে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এর মধ্যে বীজ কেনা, জৈব সার, জৈব কীটরোধক, কম্পোস্ট, ভার্মি কম্পোস্টসহ বিভিন্ন জৈব উপাদান সংগ্রহ করতে চাষিদের হেক্টর পিছু ৩১ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এমওভিসিডিএনইআর-এর মাধ্যমে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের চাষিরা কৃষিপণ্য উৎপাদক সংস্থার মাধ্যমে জৈব চাষে উৎপাদিত ফসলের প্রক্রিয়াকরণ এবং বাজারজাত করার সহায়তা পান। এই প্রকল্পে কৃষিপণ্য উৎপাদক সংস্থা গঠ...

সরকারি হিসেবে বন বাড়ছে

Image
সরকারি সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, ২০১৯ সালের তুলনায়  মোট বন ও গাছের পরিমাণ ২,২৬১ বর্গ কিলোমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে ফরেস্ট সার্ভে অফ ইন্ডিয়া সম্প্রতি দেশের বনাঞ্চল নিয়ে সমীক্ষা রিপোর্ট ' ইন্ডিয়া স্টেট অব ফরেস্ট রিপোর্ট ২০২১ প্রকাশ করেছে। এই রিপোর্টে বলা হয়েছে, দেশের মোট বন ও বৃক্ষের পরিমাণ ৮০.৯ মিলিয়ন হেক্টর, যা দেশের ভৌগলিক আয়তনের ২৪.২৬ শতাংশ। বর্তমান সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, ২০১৯ সালের তুলনায় মোট বন ও গাছের পরিমাণ ২,২৬১ বর্গ কিলোমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া ১৭ টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মোট ভৌগোলিক অঞ্চলের ৩৩ শতাংশের বেশি বনভূমি রয়েছে। এই রিপোর্ট অনুযায়ী, বনের আচ্ছাদন, গাছের আচ্ছাদন, ম্যানগ্রোভ বা বাদাবনের আচ্ছাদন ক্রমশ বাড়ছে। রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে - · গভীর ও ঘন বনের পাশাপাশি খোলা বনের ক্ষেত্রেও আয়তন বেড়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশে ৬৪৭ বর্গ কিলোমিটার, তেলেঙ্গানায় ৬৩২ বর্গ কিলোমিটার এবং ওড়িশায় ৫৩৭ বর্গ কিলোমিটার বনাঞ্চল বৃদ্ধি পেয়েছে। · অঞ্চল অনুযায়ী দেশের বৃহত্তম বনভূমি রয়েছে মধ্যপ্রদেশে। এরপরের তালিকায় রয়েছে অরুণাচল প্রদেশ, ছত্রিশগড়, ওড়িশা এবং মহারাষ্ট্র। ম...

মিথ্যের চাষ

Image
ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বা এমএসপি নিয়ে মিথ্যে কথা বলা হচ্ছে মিথ্যে বলছে সরকার। ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বা এমএসপি’র গ্যারান্টি দিতে গেলে সরকারের নাকি ১৭ লাখ কোটি টাকা খরচ হবে। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যে কথা, যা সরকারের পক্ষধারী অর্থনীতিবিদেরা ছড়াচ্ছে। এই ১৭ লাখ কোটি টাকা আসলে সব কৃষিপণ্য, অর্থাৎ চাষ, পশুপালন, মাছচাষসহ সব উৎপাদিত কৃষি সামগ্রীর দাম। কিন্তু সরকার তো মাত্র ২৩টি ফসলের বাজারের দামের সঙ্গে এমএসপি’র যে ফারাক সেই দামটি নির্দিষ্ট করে দেয়। আর মূলত ১৪ থেকে ১৬টি ফসল সরকার কেনে। এই কেনার জন্য বর্তমানে সরকারের খরচ হয় ১৭ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ধান, গম আর ভুট্টা আর তেল বীজ হিসেবে চিনাবাদামের জন্যই সবথেকে বেশি খরচ হয়। তবে এমএসপি গ্যারান্টি আইন হলে সরকারকে কত খরচ হবে জানেন? ৩৬ হাজার কোটি টাকার কিছু বেশি। নিচের টেবিলে সেটাই বলা হয়েছে। এই সরকার ও তার ধামাধরা অর্থনীতিবেদেরা মিথ্যে বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। সম্প্রতি শিল্পপতিদের ৪৬ হাজার কোটি টাকার ঋণ মকুব করেছে সরকার। আর যে পেশায় ভারতের ৬০ ভাগ লোক নিয়োজিত সেখানে এই সাহায্য দিতে সরকারের আপত্তি! ডিসেম্বর -২১, ২৭- ৪০, চাষ, এমএসপি

ভঙ্গুর উন্নয়নের কারণ

Image
এখনকার কৃষি, শিল্প, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বাস্তু, পরিবশে, প্রকৃতি সর্বোপরি উন্নয়ন প্রক্রিয়া ততটা টেকসই নয়। একথা রাষ্ট্রসংঘও মানে, লিখছেন সুব্রত কুণ্ডু সাসটেনেবল ডেভলপমেন্ট, সাসটেনেবল এগ্রিকালচার জাতীয় কিছু শব্দবন্ধ এখন বেশ পরিচিত। আর তাই পরিচিত হয়েছে সাসটেনেবল শব্দটিও। প্রকৃতি, পরিবেশ, উন্নয়ন বিষয়ক কথাবার্তায় সাধারণত এটি ব্যবহার হয়। কথাটির বাংলা কি তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। তবে, আমার মনে হয়, খুব কাছাকাছি হল টেকসই। অনেকে সুস্থায়ী শব্দটিও ব্যবহার করে। কিন্তু কেন এই কথাটি নিয়ে এত ‘কথা’ ! কারণ এখনকার কৃষি, শিল্প, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বাস্তু, পরিবশে, প্রকৃতি সর্বোপরি উন্নয়ন প্রক্রিয়া ততটা টেকসই নয়, তাই। একথা রাষ্ট্রসংঘও মানে। আর সেজন্যই তারা ২০১৫ সালে ১৭ দফা সাসটেনেবল ডেভলপমেন্ট গোল বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য স্থির করে। ১৯৩টি দেশ এই লক্ষ্যের কাগজে সইও করে। অঙ্গীকার করে ২০৩০-এর মধ্যে তা অর্জন করার জন্য। এর আগে মিলেনিয়াম ডেভলপমেন্ট গোল ২০১৫ সনের মধ্যে অর্জন করার লক্ষ্য স্থির হয়েছিল। সেখানেও সাসটেনেবল বা টেকসই কথাটি বারবার ব্যবহার হত। সেই লক্ষ্যের বেশিরভাগই অর্জন হয়নি। তাই টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য। ইংরাজিতে সাস...

বঙ্গে স্কুলছুট জাতীয় গড়ের থেকে বেশি

Image
প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের মধ্যে স্কুলছুট হচ্ছে ৬১.৪১ ছাত্রছাত্রী পশ্চিমবঙ্গে স্কুলছুটের সংখ্যা জাতীয় গড়ের থেকে বেশি। তবে এ বিষয়ে প্রতিবেশী তিন রাজ্য বিহার, ঝাড়খন্ড এবং আসামের অবস্থা পরিস্থিতি খুবই খারাপ। ইউনিফায়েড ডিসট্রিক্ট ইনফরমেশন সিস্টেম ফর এডুকেশন প্লাস ২০১৯-২০ রিপোর্টে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এই রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, সারা ভারতে স্কুলগুলিতে প্রাথমিক পর্যায়ে শেষ পর্যন্ত হাজির থাকছে ৮৬.৯৭ শতাংশ ছাত্রছাত্রী। উচ্চ প্রাথমিকে এবং মাধ্যমিকে হাজিরা কমে হচ্ছে, যথাক্রমে ৭৪.৫৯ এবং ৫৯.৫৫ শতাংশ। উচ্চমাধ্যমিকে তা আরো কমে হচ্ছে ৪০.১৭ শতাংশে। অর্থাৎ প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের মধ্যে স্কুলছুট হয়ে যাচ্ছে ৫৯.৮৩ শতাংশ ছাত্রছাত্রী। এই তথ্য দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার দিকেই প্রশ্ন চিহ্ন তুলে দিচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গে প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক, মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিকের উপস্থিতির হার হল, যথক্রমে ৮৬.১৪, ৬১.৬৭, ৪৬.৬০, ৩৮.৫৯ শতাংশ ছাত্রছাত্রী। এক্ষেত্রে প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের মধ্যে স্কুলছুট হচ্ছে ৬১.৪১ ছাত্রছাত্রী। ডিসেম্বর -২১, ২৭- ৩৮, শিক্ষা, স্কুলছুট

ছোটোদের পাশে দাঁড়াই

Image
অর্থনীতির ফারাক থেকেই সামাজিক ফারাক।  অর্থনীতির আর সামাজিক থেকেই রাজনীতির ফারাক।  লিখছেন শুভেন্দু দাশগুপ্ত নানা কারণে ‘ছোটো’ রা বেজায় মুশকিলে। অনেক মাস ধরে করোনা অসুখে লোকজন ঘরের ভিতরে, বাইরে বেরচ্ছে কম। অফিস, কারখানা বন্ধ করে রাখায়, বন্ধ হয়ে থাকায়, কাজে থাকা লোকেদের ছাঁটাই, মাইনে কমিয়ে দেওয়া হয়ে চলেছে। যারা বেচাকেনা করে রোজগার করে তাদের আয় নেমে গেছে, নেমে যাচ্ছে। যারা লরি, বাস, টেম্পো, ট্যাক্সি, রিক্সা, অটো, টোটো চালিয়ে, সারিয়ে টাকা জোগাড় করতো, যাতায়াতের নিয়মকানুন, লোকজন, মালপত্তর চলাচলে নানা বাধা বানানোয় তাদের পাওনা গন্ডার হাল খারাপ। যারা বাইরে, দূরে কাজ করে ঘরে টাকা পাঠিয়ে সংসার চালাতে গিয়েছিল, তারা কাজ হারিয়ে ঘরে ফিরে এসেছে, এসেও কিছু করতে পারেনি। যারা দিন এনে দিন খায়, তাদের দিনের কাজ কমে গেছে, বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, দিন আনা কমে যাচ্ছে, বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে যে কথাটি, তা হলো আয় নেই, আয় কমে যাচ্ছে। আয় না থাকলে খাবার নেই, পড়বার কাপড় নেই, ওষুধ নেই, ছোটদের পড়াতে পাঠানো নেই, আরো বেশ কিছু নেই। আমরা যারা, যাদের নাম ‘মধ্যবিত্ত’ মাঝারি, যাদের চাকরিটা এখনও রয়েছে, আয়টাও কমেনি, এই ‘ম...

লাখপতি হবে মহিলারা !

Image
মহিলাদের উপার্জন আরো বাড়াতে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের উদ্যোগ আর্থিক স্বচ্ছলতা আরো বাড়ানোর ওপর বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়ে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের লাখপতি করে তুলতে একটি অভিনব উদ্যোগের সূচনা করেছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রামীণ স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা বার্ষিক অন্তত ১ লক্ষ টাকা উপার্জনে সক্ষম হয়ে উঠবে বলে সরকার মনে করছে। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের লাখপতি করে তোলার উচ্চাকাঙ্খী লক্ষ্য পূরণে মন্ত্রক আগামী ২ বছরে ২ কোটি ৫০ লক্ষ গ্রামীণ স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাকে জীবন জীবিকায় সাহায্যের পরিকল্পনা করেছে। দেশে বর্তমানে চালু বিভিন্ন মডেলের ওপর ভিত্তি করে রাজ্য সরকারগুলিকে একটি বিস্তারিত পরামর্শ জারি করা হয়েছে। এই লক্ষ্যে রাজ্যগুলির সঙ্গে আরও আলাপ-আলোচনার জন্য ২৮ অক্টোবর একটি কর্মশিবির আয়োজন করা হয়। রাজ্যগুলির সঙ্গে এই কর্ম শিবিরে আলাপ-আলোচনার ওপর ভিত্তি করে পারিবারিক স্তরে জীবন-জীবিকার ক্ষেত্রে আরও বৈচিত্র আনার বিষয়ে সুচিন্তিত পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হয়। রাজ্যগুলিকে বলা হয়, দীর্ঘস্থায়ী ভিত্তিতে বার্ষিক ১ লক্ষ টাকা উপার্জনের লক্ষ্যে কৃষি ও সহযোগী ক্ষেত্র, গব...

স্বনির্ভর দলের উৎপাদন ফ্লিপকার্টে

Image
স্বনির্ভর দলের উৎপাদিত সামগ্রী এবার পাওয়া যাবে ফ্লিপকার্টে ভারতে গড়ে ওঠা সম্পূর্ণ দেশীয় ই-বাণিজ্যিক সংস্থা ফ্লিপকার্টের সঙ্গে গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের সমঝোতাপত্র বা মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। দীনদয়াল উপাধ্যায় অন্তোদয় যোজনা - জাতীয় গ্রামীণ জীবন জীবিকা মিশনের আওতায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির ক্ষমতায়নে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও মহিলা পরিচালিত স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে ই-বাণিজ্য ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে আসতে এই উদ্যোগ। গ্রামাঞ্চলের মানুষের স্বনিযুক্তি ও শিল্পোদ্যোগ ক্ষমতাকে আরো শক্তিশালী করতে এই সমঝোতাপত্র সুদূরপ্রসারী ভূমিকা নেবে এবং প্রধানমন্ত্রীর আত্মনির্ভর ভারত গঠনের স্বপ্ন আরো ত্বরান্বিত হবে বলে সরকার মনে করছে। চুক্তি স্বাক্ষর উপলক্ষে মন্ত্রী গিরিরাজ সিং বলেন, স্বনির্ভার গোষ্ঠীগুলি গ্রামীণ অর্থনীতির মেরুদন্ড। এই লক্ষ্যে সরকার স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির বার্ষিক উপার্জন বাড়িয়ে অন্তত ১ লক্ষ টাকা করার লক্ষ্য স্থির করেছে। এই লক্ষ্যে মন্ত্রক সম্ভাব্য অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা গড়ে তুলতে সচেষ্ট হয়েছে। ই-বাণিজ্যিক সংস্থা ফ্লিপকার্ট সরকারের এই উদ্যোগে এগিয়ে এসেছে। তিনি বলেন, স...