Posts

আনারসে বশে

Image
এই সময়ের ফল আনারস। স্বাদে ভালো। শরীরের জন্য উপকারী। এই সময়ের ফল আনারস। স্বাদে ভালো। শরীরের জন্য উপকারী। আনারস পুষ্টির একটি বড় একটি উৎস। এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন এ এবং সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাস। পুষ্টির জন্য এসব কটি উপাদানই জরুরি। আনারসে রয়েছে ব্রোমেলিন যা আমাদের হজমশক্তি ভালো করে। আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ম্যাংগানিজ। ক্যালসিয়াম হাড়ের গঠনে এবং ম্যাংগানিজ হাড়কে মজবুত করে তোলে। এই সময়ে প্রতিদিন অল্প কয়েক টুকরো খেলে, হাড়ের সমস্যাজনিত যে কোনো রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। আনারসে প্রচুর ফাইবার (আঁশ বা তন্তু) রয়েছে। আর এতে ফ্যাট বা স্নেহ পদার্থ অনেক কম থাকে। সকালের যে সময়ে ফলমূল খাওয়া হয়, তখন এই ফলের রস বা সালাদে মিশিয়ে খাওয়া অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। আনারসের ক্যালসিয়াম দাঁত রক্ষা করে। মাড়ির যে কোনো সমস্যা সমাধান করতে বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন আনারস খেলে দাঁতে জীবাণুর সংক্রমণ কম হয় এবং দাঁত ঠিক থাকে। অগস্ট - ২৪, ৩০ - ১১, স্বাস্থ্য, পুষ্টি

ওয়েনাডে ভূমিধ্বসের কারণ

Image
ভৌগোলিক এবং জলবায়ুগত কারণে কেরালার ওয়েনাড বরাবরই ভূমিধ্বস প্রবণ এলাকা ভৌগোলিক এবং জলবায়ুগত কারণে কেরালার ওয়েনাড বরাবরই ভূমিধ্বস প্রবণ এলাকা। তার সঙ্গে পরিবেশ ও প্রকৃতি ধ্বংস মিলে এবারের ভূমিধ্বস সবথেকে ভয়ংকর রূপ নিয়েছিল। বিভিন্ন কাগজপত্র ঘেঁটে এই ধ্বসের যে কারণগুলি মিলেছে সেগুলি হল, ভৌগলিক কারণঃ ওয়েনাড ভূখণ্ডটিতে রয়েছ পাহাড়ি খাড়া ঢাল এবং ভঙ্গুর মাটি। এই অঞ্চলে ল্যাটেরাইট এবং বালুকাময় মাটির মিশ্রণ রয়েছে। মাটির গঠন ঝুরঝুরে অসংখ্য ছিদ্রযুক্ত। এই মাটিতে জল বেশি ঢুকলে ভূমিধ্বসের প্রবণতা বেড়ে যায়। এবারে অতি বৃষ্টি ভূমিধ্বসের সম্ভাবনা তাই অনেক বাড়িয়ে দিয়েছিল। এখানে উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটনের জন্য ব্যাপকভাবে বন উজাড়ের ফলে ভূমিক্ষয় এবং গাছপালার আচ্ছাদন নষ্ট হয়ে যায়। জঙ্গল স্বাভাবিকভাবেই ভূমিধ্বসের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করে। কিন্তু এই অঞ্চলে বন উজাড় হওয়ায় সে সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গেছে। জলবায়ুগত কারণঃ ওয়েনাডে বেশি বৃষ্টিপাত হয়। কিন্তু এবারে মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে অতিবৃষ্টি ধ্বসকে ত্বরান্বিত করে। প্রযুক্তিগত কারণঃ রাসায়নিক চাষ পদ্ধতি, জঙ্গল কেটে নির্মাণ, পর্যটনের ...

স্কুলে প্রাতঃরাশের ব্যবস্থা

Image
তামিলনাড়ুতে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য প্রাতঃরাশের ব্যবস্থা ২০২২ সালে, তামিলনাড়ু সরকার বাছাই করা সরকারি স্কুলে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য প্রাতঃরাশের  ব্যবস্থা  করেছিল। এই প্রকল্প বর্তমানে আরো প্রসারিত করেছে। সরকারের বক্তব্য এজন্য যতই খরচ হোক না কেন, কোনো শিশুকে ক্ষুধার্ত রাখা হবে না। বর্তমানে ৩৯৫৫টি স্কুলের সাড়ে ১৮ লক্ষ পড়ুয়াকে প্রাতঃরাশ দেওয়া হবে। সরকারের মতে, এটি একটি উৎপাদনশীল বিনিয়োগ, যা অভিভাবকদের উপর বোঝা কমায়। স্কুলে উপস্থিতি বাড়ায় এবং স্কুলছুটের সংখ্যা কমায়। এই প্রকল্পটি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কামরাজের জন্মবার্ষিকীতে চালু হয়েছে। ১৯৫৭ সালে মুখ্যমন্ত্রী কামরাজ বিনামূল্যে মধ্যাহ্নভোজ প্রকল্প বা মিড ডে মিল চালু করেছিলেন যা তামিলনাড়ুতে আজ অবধি চালু রয়েছে। তবে এর আগে, ১৯২০ সালে চেন্নাই কর্পোরেশনের মেয়র পিটি থিয়াগারয়ার চেন্নাইয়ের একটি কর্পোরেশন স্কুলে মধ্যাহ্নভোজ প্রকল্প শুরু করেছিলেন। জাস্টিস পার্টি ১৯২৫ সালে এই প্রকল্পটি আরো প্রসারিত করেছিল। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে ১৯৪৭ সালে বন্ধ হয়ে যায়। অগস্ট - ২৪, ৩০ - ০৯, শিক্ষা, খাদ্য 

ছত্তিশগড়ে মাতৃভাষায় শিক্ষা

Image
ছত্তিশগড়ে প্রাথমিকে, মূলত আদিবাসী ভাষায় শিক্ষার জন্য ১৮টি স্থানীয় ভাষা এবং উপভাষায় দ্বিভাষিক বই তৈরি হবে।  ছত্তিশগড়ের সরকার সে রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষা পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ১৮টি স্থানীয় ভাষা এবং উপভাষায় দ্বিভাষিক বই তৈরির জন্য শিক্ষা বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছে। ছত্তিশগড় সরকারের মুখপাত্র বলেছেন, এই উদ্যোগটি জাতীয় শিক্ষা নীতি বা এনইপি ২০২০-এর অধীনে বৃহত্তর দৃষ্টিভঙ্গির একটি অংশ, যা শিশুদের তাদের মাতৃভাষায় শিক্ষাকে আরো দৃঢ করবে। এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হল, আদিবাসী সম্প্রদায়গুলির শিক্ষার সুযোগ এবং গুণমান বাড়ানো, যাতে পড়ুয়ারা তাদের মাতৃভাষায় শিক্ষা পেতে পারে এবং তাদের সংস্কৃতির সাথে সংযুক্ত থাকতে পারে। প্রথম পর্যায়ে, ছত্তিশগড়ি, সারগুজিহা, হালবি, সদরি, গোন্ডি এবং কুদুখ উপভাষায় পাঠ্যক্রম তৈরি করা হবে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এরাজ্যে সাক্ষরতার হার ৭০.২৮ শতাংশ, যা জাতীয় ৭৬ শতাংশের চেয়ে কম। এর জন্য রাজ্য জুড়ে সাহিত্যিক, লোকশিল্পী, শিক্ষাবিদ এবং সমাজে বিভিন্ন অংশের মানুষদের সাহায্য নেওয়া হবে। এ ছাড়া প্রবীণ নাগরিক ও শিক্ষকদের কাছ থেকেও সহযোগিতা নেওয়া হবে। সরকারের মতে...

সরকারি জৈব চাষ

Image
মাটির স্বাস্থ্য, উর্বরতা বৃদ্ধিতে বিকল্প সার হিসেবে জৈব এবং জীবাণু সারের ব্যবহারে উৎসাহিত করতে পিএম প্রণাম ভারত সরকার মাটি পরীক্ষার ভিত্তিতে জৈব এবং জীবাণু সারের সামঞ্জস্যপূর্ণ ব্যবহারে উৎসাহ দিচ্ছে। মাটির স্বাস্থ্য, উর্বরতা বৃদ্ধিতে বিকল্প সার হিসেবে জৈব এবং জীবাণু সারের ব্যবহারে উৎসাহিত করতে ‘প্রাইম মিনিস্টার প্রোগ্রাম ফর রেস্টোরেশন, অ্যাওয়ারনেস, নারিশমেন্ট অ্যান্ড অ্যামেলিওরেশন অব মাদার আর্থ’ বা পিএম-প্রণাম নামে একটি প্রকল্প চালু করেছে। এই প্রকল্পের আওতায় জৈব ও প্রাকৃতিক চাষ এবং জৈব সারে ব্যবহারে উৎসাহিত করতে, রাজ্য সরকারের মাধ্যমে সারের দামে ৫০ শতাংশ ভর্তুকি দেওয়া হয়। এই কাজে সরকার কম্পোস্ট, তরল সার এবং অন্যান্য ব্যবসায়িকভাবে জৈব সার উৎপাদককে মেট্রিক টন প্রতি দেড় হাজার টাকা করে বাজারজাত করার সহায়তা দেয়। সরকার ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষ থেকে মাটির স্বাস্থ্য এবং জল ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য পরম্পরাগত কৃষি বিকাশ যোজনা এবং মিশন অর্গ্যানিক ভ্যালু চেন ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের আওতায় তিন বছরের জন্য হেক্টর প্রতি ৪৬,৫০০ টাকা করে দেয়। এর মাধ্যমে চাষিদের মানসম্পন্ন বীজ তৈরি, রোপণে সহ...

বিষমুক্ত চাষে ফেরা

Image
গত পঞ্চাশ বছর বা তার কম সময়ে, প্রকৃতিকে আমরা ‘উন্নত’ কৃষির নামে বিষে জর্জরিত করে ফেলেছি। আমরা মনে করছি মানুষই ভগবান- লিখছেন সুব্রত কুণ্ডু মানব সভ্যতার বিবর্তনে চাষের এক মস্ত ভূমিকা রয়েছে। ১২ হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে কৃষি ক্রমশ উন্নত হয়েছে। কৃষিকে ভিত্তি করে, প্রকৃতির সঙ্গে হাত ধরাধরি করে এগিয়েছে আমাদের সভ্যতা। কিন্তু গত পঞ্চাশ বছর বা তার কম সময়ে, প্রকৃতিকে আমরা ‘উন্নত’ কৃষির নামে বিষে জর্জরিত করে ফেলেছি। আমরা মনে করছি মানুষই ভগবান। প্রকৃতি হল আমাদের ভোগের সম্পদ। চাষিরাও ধীরে ধীরে রাসায়নিক সার, কীটনাশক, গবেষণাগারে তৈরি বীজ, মাটির নীচে জল ব্যবহারকারী কৃষির প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েছে। কারণ, ফসলের দ্রুত বৃদ্ধি, ‘বেশি’ উৎপাদন এবং ‘লাভ’। শুধু চাষ নয়, এই রাসায়নিকে বিষিয়ে উঠেছে মানুষের স্বাস্থ্য, প্রকৃতি-পরিবেশ, মাটি ও জল। এই বিষাক্ত সমস্যা সমাধানের জন্য, বিষহীন চাষ পদ্ধতির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের জন্য বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়া শুরু হয়েছে। এরসঙ্গে রাষ্ট্রসংঘ, সুস্থায়ী উন্নয়ন লক্ষ্যের ক্ষুধা মুক্তি বা 'জিরো হাঙ্গার' এর লক্ষ্যকে পরিবেশ বান্ধব চাষের সাথে যুক্ত করেছে। তাদের মত, এই চাষ টেকসই, পুষ...

বক্সীগঞ্জের পদ্মাপারে...

Image
  বাজারের বিশ্বায়ন তো অনেক হল, এবার একটু স্থানীয়'র দিকে ফেরা যাক লিখছেন সুব্রত কুণ্ডু       উত্তরবঙ্গের এক বন্ধুর ফোন। তাদের পত্রিকার কৃষি সংখ্যা বেরোবে। লেখা চাই। বিষমুক্ত চাষ, তার ব্যবসা, সর্বোপরি চাষিদের লাভালাভের প্রশ্নে। এসব নিয়ে লেখা হতেই পারে। অন্য কিছুও হতে পারে। কোনো চাপ নেই। নিজের মতোই লিখুন। যতটা পারবেন লিখুন। সময় নিয়ে লিখুন— বন্ধুটি বললেন। এসব শুনলে আমার মত লিখিয়েদের সুখের অন্ত থাকে না। হ্যাঁ বলে দিলাম।      এবার হল আসল সমস্যা। লিখব তো বললাম, কিন্তু কী লিখব? কিছু কাগজপত্র পড়ে দেখলাম, রাসায়নিক চাষের বিকল্প হিসেবে, এ রাজ্যে ফের বিষমুক্ত চাষ শুরু হয় গত শতকের নয়ের দশকে শুরুর সময় থেকে। প্রথম পনের বিশ বছর কেটেছে তো বিষমুক্ত চাষবাসের পরীক্ষা নিরিক্ষা আর তার প্রচার, প্রসার নিয়ে। সে সময় ব্যবসা যে হয়নি তা নয়। তবে তা ততটা গুছিয়ে করা যায়নি। বিক্রির জায়গা পেলে চাষিরা বিষমুক্ত চাষও করছেন।      গত দশ বছরে এসবের ব্যবসা তার আগোছাল ভাবটা খানিকটা কাটিয়ে উঠেছে। কিছু পরীক্ষা নিরিক্ষাও চলছে। ছোট পরিসরে এই ব্যবসায় সাফল্যও এসেছে। অনেক নতুন মানু...

পাতি নয় লেবুর রাজা

Image
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার রাখা জরুরি। এক্ষেত্রে পাতিলেবুর তুলনা নেই। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার রাখা জরুরি। এক্ষেত্রে পাতিলেবুর তুলনা নেই। এক গ্লাস পাতিলেবুর জল প্রতিদিনের ভিটামিন সি এর চাহিদা পূরণ করতে পারে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে দেহকে সুস্থ ও সবল রাখতে এর জুড়ি মেলা ভার। পাতিলেবুতে প্রচুর পরিমাণে সাইট্রিক অ্যাসিড থাকে। এছাড়া ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, প্যাকটিনের উৎস হল পাতিলেবু। গ্রীষ্মকালে শরীরের আদ্রর্তা বজায় রেখে শরীরকে চাঙ্গা করে লেবুর জল। নিয়মিত লেবুর জল পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমে। মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়। অন্ত্রের মধ্যে খাদ্য ও মল চলাচল সহজ করে লেবুর জল। কিডনির পাথর অপসারণে এই জল ভালো কাজ দেয়। কিডনিতে পাথর হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ শরীরে জলশূন্যতা। কিছু পাথর জন্ম নেয় ক্যালসিয়াম লবণ থেকে। লেবুতে থাকা অ্যাসিড ক্যালসিয়াম লবণের সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটায়। এর ফলে পাথর ক্ষয় হয়। পাতিলেবুতে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিড ক্যালসিয়াম অণুকে একসাথে জমাট বাঁধতে দেয় না। দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সক্রিয় করে লেবু। পাকস্থলীকে অ্যাসি...

নারী শিক্ষার প্রসার ক্রাই

Image
‘পুরি পড়াই, দেশ কি ভালাই’ মেয়েদের শিক্ষার প্রসারে ক্রাইয়ের দেশব্যাপী প্রচার  বেসরকারি সংস্থা চাইল্ড রাইটস অ্যান্ড ইউ বা ক্রাই মেয়েদের শিক্ষার প্রতি সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করতে এবং স্কুলে মেয়ে শিশুদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর জন্য একটি দেশব্যাপী প্রচারাভিযান, ‘পুরি পড়াই, দেশ কি ভালাই’, শুরু করেছে। এই অভিযান ২০টি রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে। যার লক্ষ্য ২৪ জুন থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সারা দেশে মেয়ে শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য প্রচার। উদ্যোগটি মেয়েদের সম্পুর্ণ শিক্ষা শেষ করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরছে। এতে তাদের স্কুলছুটের হার এবং এর কারণগুলিকে নির্দিষ্ট করা যাবে; পাশাপাশি স্কুলে তাদের নামভুক্তি; স্কুলে তাদের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরি; এবং শিক্ষার সুযোগে অগ্রগতি ঘটবে বলে ক্রাই মনে করে। শিশুদের বিনামূল্যে এবং বাধ্যতামূলক শিক্ষার অধিকার আইন ২০০৯-এর লক্ষ্য হল, ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের জন্য সর্বজনীন শিক্ষাদান। এপ্রিল মাসে আইনটির ১৫তম বছর বয়স হবে। তবুও অনেক মেয়ে এখনও মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে না। মনে রাখা দরকার, জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০৩০ সালের মধ্যে ন্যায়সঙ্গত...

অঙ্কে আতঙ্ক

Image
দেশে অঙ্কের ধারণার বেহাল অবস্থাঃ সমীক্ষা ইআই নামের একটি শিক্ষা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান সম্প্রতি অঙ্কের শিক্ষকদের, অঙ্ক নিয়ে ধারণা কেমন তা বোঝার জন্য একটি সমীক্ষা করেছিল। এই সমীক্ষায় যে তথ্য উঠে এসেছে তা বেশ উদ্বেগজনক। দেখা গেছে ৮০ ভাগ শিক্ষকদের— অনুপাত, বীজগণিত, এস্টিমেশন ইত্যাদি বেশ কিছু ধরনের অঙ্ক কেন করানো হচ্ছে বা এই অঙ্ক সমাধানের যুক্তি কী— তার সম্পর্কে খুব কমই ধারণা রয়েছে। সমীক্ষাটির নাম ‘অ্যানালিসিস অফ ইন-সার্ভিস ম্যাথমেটিক্স টিচার্স সাবজেক্ট নলেজ অ্যান্ড মিসকন্সেপ্সনস অন প্রাইমারি অ্যান্ড মিডিল-গ্রেড ম্যাথমেটিক্স কন্সেপ্ট’। দুই বছর ধরে ভারতসহ আরো কয়েকটি দেশে এই সমীক্ষা করা হয়েছে। ভারতে ১৫২টি স্কুলের তৃতীয় থেকে ষষ্ঠ শ্রেণি অবধি ১৩৫৭ জন অঙ্ক শিক্ষকের ওপর সমীক্ষাটি করা হয়। টিচার ইমপ্যাক্ট প্রোগ্রামের অংশ এই সমীক্ষাটির লক্ষ্য ছিল, বিষয় জ্ঞান এবং শিক্ষাগত দক্ষতা উভয়ই পরিমাপ করা। সমীক্ষায় দেখা গেছে, প্রায় ৮০ শতাংশ শিক্ষকের বুনিয়াদি কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ গণিতের বিষয়গুলির প্রাথমিক ধারণার অভাব রয়েছে। প্রায় ৭৫ শতাংশ শিক্ষককে এ নিয়ে যে প্রশ্ন করা হয়েছিল তার ৫০ শতাংশ প্রশ্নের সঠিক উত্তর দি...