Posts

বরফের মাছ

Image
হিমালয় লাগোয়া রাজ্যগুলিতে দেড় শতাধিক প্রজাতির দেশীয় মাছের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে জলবায়ু বদল । ফলে তাদের জীবন বিপন্ন হবে । ওয়াইল্ডলাইফ ইন্সটিটিউট অব ইন্ডিয়ার সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে । মূলত উত্তরাখন্ড , হিমাচল প্রদেশ , জম্মু ও কাশ্মীর এবং অরুণাচল প্রদেশে জলবায়ু বদলের প্রভাব সব থেকে বেশি পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে অপরিকল্পিত আবাস , নদী ভাঙন , ভিনদেশী মাছের চাষ এবং বড় বাঁধের জন্যও দেশজ মাছের অবলুপ্তি ঘটতে চলেছে । সেপ্টে-অক্টো ১৯২৫২৮, মাছ, জলবায়ু বদল

বন্য গল্প

Image
দেশে বনায়নের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার ৪৭ হাজার ৪৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। রাজ্য সরকারগুলিকে এই টা কা দেওয়া হবে দেশে সবুজায়ন এবং বনায়ন করতে। পরিবেশ , বন ও জলবায়ু বদল বিষয়ক মন্ত্রী প্রকাশ জাবড়েকর একথা জানিয়েছেন। রাজ্য সরকারগুলি যে টাকা বরাদ্দ করেছে তার সঙ্গে এই টাকা যুক্ত হবে। মন্ত্রী বলেন , সরকার ধারাবাহিকভাবে এই সবুজায়ন এবং বনায়নের কাজ করবে। এর ফলে ২০ ৩ ০ সালের মধ্যে আড়াই থেকে তিন বিলি য়ন (১বিলিয়ন = ১০০ কোটি) টন কার্বন-ডাই অক্সাইডের সমতুল একটি অতিরিক্ত কার্বন আধার ( সিঙ্ক ) তৈরি হবে। এই অর্থ বেতন , ভ্রমণ-ভাতা , চিকিৎসা-ভাতা ইত্যাদি খাতে খরচ করা যাবে না। সেপ্টে-অক্টো ১৯২৫২৭, বনায়ন

চাষআ বাদ

Image
দেশের অর্থনীতিতে কৃষির থেকে অন্যান্য ক্ষেত্র দ্রুত হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে । কেন এই ক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার কমছে এবং এই পরিস্থিতি শুধরে কীভাবে চাষিদের আয় দ্বিগুণ করা যায়, তা খুঁজে দেখার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার একটি কমিটি তৈরি করেছিল। এই কমিটি তাদের রিপোর্টে ৭টি বিষয় চিহ্নিত করেছে । রাজ্যসভায় কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমার এক প্রশ্নের উত্তরে একথা জানিয়েছেন । কমিটি যে সাতটি বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছে তা হল , উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি , চাষিদের প্রকৃত দাম পাওয়ার ব্যবস্থা , জলবায়ু বদলের সঙ্গে খাপ খাইয়ে চাষ ব্যবস্থা তৈরি , প্রধান ফসল চাষের এলাকা বৃদ্ধি , আবাদযোগ্য খেত বৃদ্ধি , প্রকৃতির বিভিন্নতা অনুযায়ী চাষ ও জলের প্রাপ্যতা বৃদ্ধি । এই রিপোর্টের ভিত্তিতে সরকার ঠিক করেছে, তারা কৃষি বিষয়ক প্রধান ১০টি প্রকল্প যেমন , রাষ্ট্রীয় কৃষি বিকাশ যোজনা , মাটির স্বাস্থ্য কার্ড , পরম্পরাগত কৃষি বিকাশ যোজনা ইত্যাদির ব্যাপক প্রয়োগ করবে। কিন্তু প্রশ্ন হল, এই যোজনাগুলি তো বহুদিন ধরে চলছে আর এ বাজেটে তো সব প্রকল্পের ...

বে হাল

Image
কৃষিক্ষেত্রে আর্থিক বৃদ্ধির হার কমছে । এই আর্থিক বছরে প্রথম তিন মাসে এই ক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার ২ শতাংশ । গত বছর এই একই সময়ে বৃদ্ধির হার ছিল ৫ . ১ শতাংশ । তবে শুধু এই বছরেই নয়, কৃষিক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার ধারাবাহিকভাবে কমছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় , শেষ পাঁচ বছরে গড়ে কৃষিতে বৃদ্ধির হার ছিল ৬ . ১ শতাংশ । যেখানে তা আগের পাঁচ বছরের হার ছিল ১৪ . ৬ শতাংশ । রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইণ্ডিয়ার সাম্প্রতিক রিপোর্টে এই তথ্য উঠে এসেছে । এখন প্রশ্ন হল , ২০২২ সালের মধ্যে চাষিদের আয় দ্বিগুণ করার কেন্দ্রীয় সরকারের লক্ষ্য তাহলে কীভাবে পূরণ হবে ? সেপ্টে-অক্টো ১৯২৫২৫, কৃষি, অর্থনীতি

রমণীয় চাষ

Image
কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রকের সাম্প্রতিক সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, দেশে মহিলাদের মালিকানাধীন জমির পরিমাণ বেড়েছে। ২০১০ - ১১ সালে যেখানে মোট জমির ১২ . ৭৮ শতাংশ মহিলাদের হাতে ছিল, ২০১৫ - ১৬ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ . ৭৮ শতাংশ। মন্ত্রকের কথায়, মহিলা কিষান স্ব - শক্তিকরণ যোজনার কারণে এই পরিবর্তন দেখা গেছে। রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের জবাবে কৃষি মন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমার একথা জানিয়েছেন। বিভিন্ন সমীক্ষায় বারবার দেখা গেছে , বীজ রোপণ থেকে সংরক্ষণ, অর্থাৎ চাষের সম্পুর্ণ কাজে পুরুষদের তুলনায় মেয়েরাই বেশি কাজ করে। আর এখন পুরুষেরা কাজের জন্য ভিটেমাটি ছেড়ে অন্যত্র পাড়ি দিচ্ছে। ফলে চাষের পুরো কাজটাই মেয়েদের ওপর এসে পড়ছে। কিন্তু জমি অধিকার নেই বলে তারা, সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এমনকি চাষের প্রশিক্ষণ , পরিষেবা থেকেও বাদ পড়ছে তারা। চাষের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি মেয়েদের উপযোগী নয় । ফলে তাদের কায়িক শ্রমও কমছে না। বাজারে তাদের কোনো অধিকার নেই। আর তাই যদি মহিলা কিষানদের সত্যি অর্থে স্ব - শক্তিকরণ করতে হয় , তবে এই বিষয়গুলির দিকে নজর দেওয়া দরকার। সেপ্টে-অক্টো ১৯২৫২৪, কৃষি, মহিলা কিষান

সুস্থায়ী চাষ

Image
একটি নতুন সমীক্ষায় দেখা গেছে , চাষিরা যদি ফসলের অবশেষ না পুড়িয়ে এবং জমি না চষে চাষ করে, তবে কেবল বায়ু দূষণ কমানো নয়, তারা মাটির উৎপাদন ক্ষমতাও প্রচুর পরিমাণে বাড়াতে পারে। আর উৎপাদন বাড়লে চাষিদের আয়ও অনেকটাই বাড় বে। উত্তর ভারতে বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে থাকা প্রায় ৪০ লক্ষ হেক্টর জমিতে ধানের পরে গম চাষ হয়। সেই সব রাজ্যের ১০টি জেলার  বেশ কিছু জমির আয় - ব্যয়ের হিসেব পরীক্ষা করে এই তথ্য পাওয়া গেছে। সমীক্ষক দল দেখেছে , ধানের পর তার অবশেষ পড়ে থাকা জমিতে, ছিটি য়ে গম চাষ করলে তাতে জল লাগে কম; শ্রম এবং রাসায়নিকের খরচ কমে; গ্রিন হাউস গ্যাস তৈরি হওয়া কমে; মাটির স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়। এসবের জন্যও চাষির আয় বাড়ে। আর সার্বিকভাবে সমাজের ও উন্নতি হয়। ইন্ডিয়ান সায়েন্স ওয়্যার জার্নালে বেরিয়েছে এই খবর। সেপ্টে-অক্টো ১৯২৫২৩, কৃষি, সুস্থায়ী চাষ  

মাছভাতের চাষ

Image
আত্ মা প্রকল্পের অধীনে মালদা জেলায় ধানজমিতে মাছ চাষের যৌথ উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্যের মাছ এবং চাষ দফতর । জৈব উপায়ে এই চাষ হবে । একাজে সরকারের লক্ষ্য , ছোট ও প্রান্তি ক চাষির আয়  বাড়ানো । এই দফতর দুটির আধিকারিকদের মতে, দিনকে দিন চাষের ব্যয়ের বহরে ছোট ও প্রান্তি ক চাষিদের কোনো লাভ হয় না । তাই সরকার ঠিক করেছে, ধানজমিতে কই , শিঙি , মাগুর , রুই , কাতলা ইত্যাদি মাছের পোনা ছাড়া হবে । জমিতে যে কীটপতঙ্গ এবং আগাছা হবে সেগুলি এই মাছ খেয়ে ফেলবে । এছাড়া জমির চারধারে খাল বা জমির পাশে পুকুর কাটা হচ্ছে । ধানজমির জল কমে গেলে এই মাছ খাল বা পুকুরে চলে আসবে । খাল ও পুকুরের জলে পরে সবজি চাষও করা যাবে । এই ভাবে চাষে বিঘা প্রতি ধানে ১৫ হাজার এবং মাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা অব্দি আয় করা সম্ভব বলে সরকারে দাবি। এছাড়া প্রকৃতি - পরিবেশও সুস্থ থাকবে এই চাষে । প্রাথমিকভাবে মালদা জেলায় এই কাজ শুরু হলেও, ধীরে ধীরে সব জেলায় এইভাবে চাষে উৎসাহ দেওয়া হবে, এমনই বলছে দফতর দুটি। তবে এভাবে সমন্বিত চাষ নতুন কিছু নয়। উত্...