Posts

বাড়বে পাম তেলের উৎপাদন

Image
ভোজ্য তেলের উৎপাদন বাড়াতে পাম গাছের চাষ  পাম তেল উৎপাদনের লক্ষ্যে, দেশের ১২ হাজার হেক্টর জমিতে ১৭ লক্ষর মতো পাম গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। দেশে ভোজ্য তেলের উৎপাদন বাড়াতে জাতীয় কর্মসূচির আওতায় এই অভিযান চালানো হয়েছে। সরকার মনে করছে, এর ফলে উপকৃত হবেন দেশের ১৫টি রাজ্যের ১০ হাজারেরও বেশি কৃষিজীবী মানুষ। অন্ধ্রপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, গোয়া, গুজরাট, কর্ণাটক, কেরল, ওড়িশা, তামিলনাড়ু, তেলেঙ্গানা, অরুণাচল প্রদেশ, আসাম, মণিপুর, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড এবং ত্রিপুরায় এই অভিযান বেশ জোরদার হয়েছে। পাম তেল প্রক্রিয়াকরণের সঙ্গে যুক্ত বড় বড় শিল্প সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ক্রমে বিভিন্ন রাজ্যে এই অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানকে সফল করে তুলতে সচেতনতা মূলক কর্মশালা, বৃক্ষ রোপণ অভিযান এবং অন্যান্য উৎসাহব্যাঞ্জক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ভোজ্য পাম তেল সম্পর্কিত জাতীয় কর্মসূচির কাজ কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে শুরু হয় ২০২১-এর আগস্ট মাসে। ভোজ্য তেলে দেশকে স্বনির্ভর করে তুলতে এবং ভোজ্য তেল আমদানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আনতে এই অভিযান শুরু করা হয়। সেপ্টেম্বর - ২৪, ৩০ - ১৬, ভোজ্য তেল, কৃষি

খরিফে বেড়েছে চাষের এলাকা

Image
এ বছর খরিফ মরশুমে চাষের এলাকা বেড়েছে বলে দাবী কেন্দ্রীয় সরকারের ২০২৪-এর ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খরিফ শস্য বপনের এলাকা সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ করেছে কৃষি এবং কৃষক কল্যাণ মন্ত্রক। এই তথ্য থেকে জানা যাচ্ছে, গত বছর ৩৯৩.৫৭ লক্ষ হেক্টর জমিতে ধান চাষ হয়েছিল। এ বছর একই সময়ে ৪০৯.৫০ হেক্টর জমিতে ধান রোপণ হয়েছে। এ বছর মোট ১২৬.২০ লক্ষ্য হেক্টর জমিতে ডাল চাষ করা হয়েছে। গত বছর ডাল চাষ হয়েছিল ১১৭.৩৯ লক্ষ হেক্টর জমিতে। এছাড়া মিলেট এবং অন্য মোটা দানা শস্যের চাষ, গত বছরে হওয়া ১৮১.৭৪ লক্ষ্য হেক্টর থেকে বেড়ে, ১৮৮.৭২ লক্ষ হেক্টর জমিতে হয়েছে। এ বছর ১৯২.৪০ লক্ষ হেক্টর জমিতে তেলবীজ চাষ করা হয়েছে। গত বছর একই সময়ে ১৮৯.৪৪ লক্ষ হেক্টর জমিতে তেলবীজ চাষ হয়েছিল। গত বছর আখ চাষ করা হয়েছিল ৫৭.১১ লক্ষ হেক্টর জমিতে। এ বছর জমির পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ৫৭.৬৮ লক্ষ হেক্টর।সব মিলিয়ে এ বছর মোট ১০৯২ লক্ষ হেক্টর জমিতে খরিফ শস্য চাষ করা হয়েছে। গত বছর এই জমির পরিমাণ ছিল ১০৬৯.২৯ লক্ষ হেক্টর। কৃষি মন্ত্রক সূত্রে এই তথ্য জানা গেলেও কীভাবে এইসব ফসলের জমির পরিমাণ বাড়ল তা নিয়ে কোনো আলোচনা করা হয়নি। সেপ্টেম্বর - ২৪, ৩০ - ১৫, কৃষি, উৎপাদন,

বনের হাল হকিকত

Image
পশ্চিমবঙ্গের ভৌগোলিক আয়তন ৮৮,৭৫২ বর্গ কিলোমিটার। এর মধ্যে নথিভুক্ত বনাঞ্চল ১১,৮৭৯ বর্গ কিলোমিটার।  পরিবেশ, বন এবং জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রকের অধীন সংস্থা দেরাদুনের ফরেস্ট সার্ভে অফ ইন্ডিয়া বা ভারতের বন সর্বেক্ষণ দেশের সমগ্র বনাঞ্চলের দ্বিবার্ষিক সমীক্ষা করে এবং এর ফলাফল প্রকাশিত হয় ইন্ডিয়া স্টেট অফ ফরেস্ট রিপোর্ট (আইএসএফআর)-এ। ২০২১-এর এই রিপোর্ট অনুযায়ী দেশের নথিভুক্ত বনাঞ্চলের আয়তন ৭,৭৫,২৮৮ বর্গ কিলোমিটার। পশ্চিমবঙ্গের ভৌগোলিক আয়তন ৮৮,৭৫২ বর্গ কিলোমিটার। এর মধ্যে নথিভুক্ত বনাঞ্চল ১১,৮৭৯ বর্গ কিলোমিটার। এর মধ্যে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের আয়তন ৭,০৫৪ বর্গ কিলোমিটার, সুরক্ষিত বনাঞ্চল ৩,৭৭২ বর্গ কিলোমিটার, শ্রেণিবিহীন বনাঞ্চল ১,০৫৩ বর্গ কিলোমিটার। ভূমি একটি রাজ্যের তালিকাভুক্ত বিষয়। বনাঞ্চল এবং তার আইনি সীমানা স্থির করে এবং তদারক করে সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকার বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রশাসন। সেইমতো কোনো বনাঞ্চল লিজ দেওয়া অথবা বরাদ্দ করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা একমাত্র সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকার বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল প্রশাসনের এক্তিয়ারে পড়ে। তবে, কোনো বনাঞ্চল অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে হলে, কে...

চাষিদের বার্ধক্য ভাতা

Image
বৃদ্ধ চাষিদের জন্য অবসরের পরে ভাতা দেওয়ার প্রকল্প হল,  কিষান মানধন যোজনা দেশের ছোট এবং প্রান্তিক চাষিদের সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনার জন্য ২০১৯-এর ১২ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী কিষান মানধন যোজনা (পিএম-কেএমওয়াই) শুরু হয়েছিল। এটি বৃদ্ধ বয়সের জন্য স্বেচ্ছামূলক অবসর ভাতা কর্মসূচি। এতে একজন যোগ্য ক্ষুদ্র এবং প্রান্তিক চাষিকে ৬০ বছর বয়সের পর মাসিক ৩ হাজার টাকা দেওয়া হয়। চাষি মারা গেলে তার স্ত্রী মাসে ১৫০০ টাকা পেতে পারে। কোনো চাষি তার ১৮-৪০ বছর বয়স অবধি, কর্মক্ষম থাকাকালীন, যদি মাসে মাসে ৫৫-২০০ টাকা জমা করে, তবেই কেন্দ্রের সরকার তার সমান পরিমাণ অর্থ জমা করে। এই অর্থ থেকেই চাষিদের ভাতা দেওয়া হয়। লাইফ ইনসুরেন্স কর্পোরেশন (এলআইসি) এই অবসর ভাতা তহবিলটির দেখভাল করে। আর এই প্রকল্পের লাভার্থীদের নথিভুক্তি হয়, কমন সার্ভিস সেন্টার্স (সিএসসি) এবং রাজ্য সরকারের মাধ্যমে। ২ হেক্টর পর্যন্ত চাষযোগ্য জমি আছে এবং ২০১৯-এর ১ আগস্ট পর্যন্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ল্যান্ড রেকর্ডে নথিভুক্ত এরকম সব চাষিই এই কর্মসূচির সুবিধা পাওয়ার যোগ্য। ২০২৪-এর ৬ আগস্ট পর্যন্ত ২৩.৩৮ লক্ষ চাষি এই কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন। স...

মায়ের নামে গাছ

Image
কেন্দ্রিয় সরকার ঠিক করেছে, কৃষি এবং সংশিষ্ট সব মন্ত্রক এই “মাতৃ বন” তৈরিতে উদ্যোগ নেবে কেন্দ্রীয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রকের ‘এক পেঢ় মা কে নাম’ কর্মসূচির আওতায় দেশজুড়ে ৫২ কোটির বেশি গাছ ইতোমধ্যেই লাগানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী, ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবসে এই কর্মসূচির সূচনা করেন। কেন্দ্রিয় সরকার ঠিক করেছে, কৃষি এবং সংশিষ্ট সব মন্ত্রক এই “মাতৃ বন” তৈরিতে উদ্যোগ নেবে। এই অভিযানের অঙ্গ হিসেবে, কেন্দ্রীয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রক, সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে দেশ জুড়ে ৮০ কোটি এবং আগামী বছরের মার্চ মাসের মধ্যে ১৪০ কোটি চারা রোপণের লক্ষ্য নিয়েছে। সরকার মনে করছে এর ফলে পরিবেশ সচেতন জীবনশৈলী গড়ে উঠবে। সুস্থায়ী কৃষির লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হবে। জমি ও জলের গুণগত মান বাড়বে, জীব বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পাবে। ভূমিক্ষয় রোধ হবে। এছাড়া চাষিরা কাঠ জাতীয় পণ্য থেকে অতিরিক্ত উপার্জনের সুযোগ পাবেন। সেপ্টেম্বর - ২৪, ৩০ - ১২, বনায়ন, জলবায়ু বদল

আনারসে বশে

Image
এই সময়ের ফল আনারস। স্বাদে ভালো। শরীরের জন্য উপকারী। এই সময়ের ফল আনারস। স্বাদে ভালো। শরীরের জন্য উপকারী। আনারস পুষ্টির একটি বড় একটি উৎস। এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন এ এবং সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাস। পুষ্টির জন্য এসব কটি উপাদানই জরুরি। আনারসে রয়েছে ব্রোমেলিন যা আমাদের হজমশক্তি ভালো করে। আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ম্যাংগানিজ। ক্যালসিয়াম হাড়ের গঠনে এবং ম্যাংগানিজ হাড়কে মজবুত করে তোলে। এই সময়ে প্রতিদিন অল্প কয়েক টুকরো খেলে, হাড়ের সমস্যাজনিত যে কোনো রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। আনারসে প্রচুর ফাইবার (আঁশ বা তন্তু) রয়েছে। আর এতে ফ্যাট বা স্নেহ পদার্থ অনেক কম থাকে। সকালের যে সময়ে ফলমূল খাওয়া হয়, তখন এই ফলের রস বা সালাদে মিশিয়ে খাওয়া অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। আনারসের ক্যালসিয়াম দাঁত রক্ষা করে। মাড়ির যে কোনো সমস্যা সমাধান করতে বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন আনারস খেলে দাঁতে জীবাণুর সংক্রমণ কম হয় এবং দাঁত ঠিক থাকে। অগস্ট - ২৪, ৩০ - ১১, স্বাস্থ্য, পুষ্টি

ওয়েনাডে ভূমিধ্বসের কারণ

Image
ভৌগোলিক এবং জলবায়ুগত কারণে কেরালার ওয়েনাড বরাবরই ভূমিধ্বস প্রবণ এলাকা ভৌগোলিক এবং জলবায়ুগত কারণে কেরালার ওয়েনাড বরাবরই ভূমিধ্বস প্রবণ এলাকা। তার সঙ্গে পরিবেশ ও প্রকৃতি ধ্বংস মিলে এবারের ভূমিধ্বস সবথেকে ভয়ংকর রূপ নিয়েছিল। বিভিন্ন কাগজপত্র ঘেঁটে এই ধ্বসের যে কারণগুলি মিলেছে সেগুলি হল, ভৌগলিক কারণঃ ওয়েনাড ভূখণ্ডটিতে রয়েছ পাহাড়ি খাড়া ঢাল এবং ভঙ্গুর মাটি। এই অঞ্চলে ল্যাটেরাইট এবং বালুকাময় মাটির মিশ্রণ রয়েছে। মাটির গঠন ঝুরঝুরে অসংখ্য ছিদ্রযুক্ত। এই মাটিতে জল বেশি ঢুকলে ভূমিধ্বসের প্রবণতা বেড়ে যায়। এবারে অতি বৃষ্টি ভূমিধ্বসের সম্ভাবনা তাই অনেক বাড়িয়ে দিয়েছিল। এখানে উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটনের জন্য ব্যাপকভাবে বন উজাড়ের ফলে ভূমিক্ষয় এবং গাছপালার আচ্ছাদন নষ্ট হয়ে যায়। জঙ্গল স্বাভাবিকভাবেই ভূমিধ্বসের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করে। কিন্তু এই অঞ্চলে বন উজাড় হওয়ায় সে সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গেছে। জলবায়ুগত কারণঃ ওয়েনাডে বেশি বৃষ্টিপাত হয়। কিন্তু এবারে মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে অতিবৃষ্টি ধ্বসকে ত্বরান্বিত করে। প্রযুক্তিগত কারণঃ রাসায়নিক চাষ পদ্ধতি, জঙ্গল কেটে নির্মাণ, পর্যটনের ...

স্কুলে প্রাতঃরাশের ব্যবস্থা

Image
তামিলনাড়ুতে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য প্রাতঃরাশের ব্যবস্থা ২০২২ সালে, তামিলনাড়ু সরকার বাছাই করা সরকারি স্কুলে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য প্রাতঃরাশের  ব্যবস্থা  করেছিল। এই প্রকল্প বর্তমানে আরো প্রসারিত করেছে। সরকারের বক্তব্য এজন্য যতই খরচ হোক না কেন, কোনো শিশুকে ক্ষুধার্ত রাখা হবে না। বর্তমানে ৩৯৫৫টি স্কুলের সাড়ে ১৮ লক্ষ পড়ুয়াকে প্রাতঃরাশ দেওয়া হবে। সরকারের মতে, এটি একটি উৎপাদনশীল বিনিয়োগ, যা অভিভাবকদের উপর বোঝা কমায়। স্কুলে উপস্থিতি বাড়ায় এবং স্কুলছুটের সংখ্যা কমায়। এই প্রকল্পটি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কামরাজের জন্মবার্ষিকীতে চালু হয়েছে। ১৯৫৭ সালে মুখ্যমন্ত্রী কামরাজ বিনামূল্যে মধ্যাহ্নভোজ প্রকল্প বা মিড ডে মিল চালু করেছিলেন যা তামিলনাড়ুতে আজ অবধি চালু রয়েছে। তবে এর আগে, ১৯২০ সালে চেন্নাই কর্পোরেশনের মেয়র পিটি থিয়াগারয়ার চেন্নাইয়ের একটি কর্পোরেশন স্কুলে মধ্যাহ্নভোজ প্রকল্প শুরু করেছিলেন। জাস্টিস পার্টি ১৯২৫ সালে এই প্রকল্পটি আরো প্রসারিত করেছিল। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে ১৯৪৭ সালে বন্ধ হয়ে যায়। অগস্ট - ২৪, ৩০ - ০৯, শিক্ষা, খাদ্য 

ছত্তিশগড়ে মাতৃভাষায় শিক্ষা

Image
ছত্তিশগড়ে প্রাথমিকে, মূলত আদিবাসী ভাষায় শিক্ষার জন্য ১৮টি স্থানীয় ভাষা এবং উপভাষায় দ্বিভাষিক বই তৈরি হবে।  ছত্তিশগড়ের সরকার সে রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষা পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ১৮টি স্থানীয় ভাষা এবং উপভাষায় দ্বিভাষিক বই তৈরির জন্য শিক্ষা বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছে। ছত্তিশগড় সরকারের মুখপাত্র বলেছেন, এই উদ্যোগটি জাতীয় শিক্ষা নীতি বা এনইপি ২০২০-এর অধীনে বৃহত্তর দৃষ্টিভঙ্গির একটি অংশ, যা শিশুদের তাদের মাতৃভাষায় শিক্ষাকে আরো দৃঢ করবে। এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হল, আদিবাসী সম্প্রদায়গুলির শিক্ষার সুযোগ এবং গুণমান বাড়ানো, যাতে পড়ুয়ারা তাদের মাতৃভাষায় শিক্ষা পেতে পারে এবং তাদের সংস্কৃতির সাথে সংযুক্ত থাকতে পারে। প্রথম পর্যায়ে, ছত্তিশগড়ি, সারগুজিহা, হালবি, সদরি, গোন্ডি এবং কুদুখ উপভাষায় পাঠ্যক্রম তৈরি করা হবে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এরাজ্যে সাক্ষরতার হার ৭০.২৮ শতাংশ, যা জাতীয় ৭৬ শতাংশের চেয়ে কম। এর জন্য রাজ্য জুড়ে সাহিত্যিক, লোকশিল্পী, শিক্ষাবিদ এবং সমাজে বিভিন্ন অংশের মানুষদের সাহায্য নেওয়া হবে। এ ছাড়া প্রবীণ নাগরিক ও শিক্ষকদের কাছ থেকেও সহযোগিতা নেওয়া হবে। সরকারের মতে...

সরকারি জৈব চাষ

Image
মাটির স্বাস্থ্য, উর্বরতা বৃদ্ধিতে বিকল্প সার হিসেবে জৈব এবং জীবাণু সারের ব্যবহারে উৎসাহিত করতে পিএম প্রণাম ভারত সরকার মাটি পরীক্ষার ভিত্তিতে জৈব এবং জীবাণু সারের সামঞ্জস্যপূর্ণ ব্যবহারে উৎসাহ দিচ্ছে। মাটির স্বাস্থ্য, উর্বরতা বৃদ্ধিতে বিকল্প সার হিসেবে জৈব এবং জীবাণু সারের ব্যবহারে উৎসাহিত করতে ‘প্রাইম মিনিস্টার প্রোগ্রাম ফর রেস্টোরেশন, অ্যাওয়ারনেস, নারিশমেন্ট অ্যান্ড অ্যামেলিওরেশন অব মাদার আর্থ’ বা পিএম-প্রণাম নামে একটি প্রকল্প চালু করেছে। এই প্রকল্পের আওতায় জৈব ও প্রাকৃতিক চাষ এবং জৈব সারে ব্যবহারে উৎসাহিত করতে, রাজ্য সরকারের মাধ্যমে সারের দামে ৫০ শতাংশ ভর্তুকি দেওয়া হয়। এই কাজে সরকার কম্পোস্ট, তরল সার এবং অন্যান্য ব্যবসায়িকভাবে জৈব সার উৎপাদককে মেট্রিক টন প্রতি দেড় হাজার টাকা করে বাজারজাত করার সহায়তা দেয়। সরকার ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষ থেকে মাটির স্বাস্থ্য এবং জল ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য পরম্পরাগত কৃষি বিকাশ যোজনা এবং মিশন অর্গ্যানিক ভ্যালু চেন ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের আওতায় তিন বছরের জন্য হেক্টর প্রতি ৪৬,৫০০ টাকা করে দেয়। এর মাধ্যমে চাষিদের মানসম্পন্ন বীজ তৈরি, রোপণে সহ...