Posts

বৈচিত্রহীন

Image
জীববৈচিত্র সুরক্ষায় যে কুড়িটি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, তার মধ্যে মাত্র ছয়টি অর্জিত হয়েছে হয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রসংঘের সংস্থা। জীববৈচিত্র বিষয়ক সংস্থা, ইউএন কনভেনশন অন বায়োলজিক্যাল ডাইভার্সিটির তাদের সাম্প্রতিক জীববৈচিত্র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নজিরবিহীন হারে জীববৈচিত্রের ক্ষয় বা অবনতি ঘটছে। এই রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রকৃতির সুরক্ষায় সামগ্রিক সাফল্য না থাকলেও, জীববৈচিত্রের কিছু লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে। সেরকমই একটি উদাহরণ হল, গত দশ বছরে যতসংখ্যক পাখি এবং স্তন্যপায়ী প্রাণী নিশ্চিহ্ন হয়েছে, কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া হলে, তার আরো চারগুণ বেশি হতো। রিপোর্টে সুস্থায়ী কৃষি এবং খাদ্য ব্যবস্থা এবং শহরগুলির সবুজায়নের জন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ওপর জোর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া বন ধ্বংসের হার কমানো, অতিমাত্রায় মাছ ধরায় নিয়ন্ত্রণ, বিদেশি প্রজাতির প্রাণী ও গাছপালার বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে দেশি প্রজাতির প্রসার এবং সেগুলির সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপরেও দেশগুলিকে গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে। জানুয়ারি - ২১ ২৬-০৭, জীব বৈচিত্র, স্বাস্থ্য

গৃহহীন ১০০ কোটি

Image
বিশ্বে জনসংখ্যা ৭৮০ কোটি। তার মধ্যে প্রায় ১০০ কোটি লোকের বাস করার মতো আবাসনের ব্যবস্থা নেই। কোভিড নাইন্টিন সংক্রমণ থেকে বাঁচতে মানুষকে যখন ঘরে থাকতে বলা হচ্ছে, তখনই দেখা যাচ্ছে বিশ্বের ৮ ভাগের এক ভাগ লোকের আবাসনের ব্যবস্থা নেই। কোভিড নাইন্টিন একইসঙ্গে নিরাপদে জীবনযাপন, কাজ করা এবং শিক্ষার জন্য বাসগৃহকে নিরাপদ করা, বিশেষত স্বাস্থ্যসম্মত শুচিতার ব্যবস্থা থাকার আবশ্যকতাও তুলে ধরছে। সে সময় আবাসনহীন ১০০ কোটি মানুষের দল বুঝিয়ে দিচ্ছে আমাদের সবরকম কাজের পরিকল্পনা এবং তার প্রয়োগের দুর্বলতা।  রাষ্ট্রসংঘের মতে, ২০৩০ সালে আবাসনহীন মানুষের সংখ্যা হবে ১৬০ কোটি। এজন্য স্বল্পআয়ের পরিবারগুলি এবং বিপন্ন জনগোষ্ঠীর জন্য এখন প্রয়োজন কম খরচের আবাসনের ব্যবস্থা। যাতে নিরাপত্তা, জল, পয়ঃব্যবস্থা, পরিবহন এবং অন্যান্য পরিষেবা সহজেই পেতে পারে এই মানুষগুলি। আবাসনের এই চাহিদা মেটাতে প্রতিদিন প্রায় ৯৬ হাজার বাড়ি তৈরি করা দরকার। এখানে উল্লেখযোগ্য, ভারতসহ বেশি জনসংখ্যার দেশগুলি এমনকী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও আবাসনহীন মানুষের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। জানুয়ারি - ২১ ২৬-০৬, আবাসন, স্বাস্থ্য

চায়ে পে চর্চা

Image
চা, কফি পান করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। আড্ডা দিতে, ক্লান্তি দূর করতে, কাজের ফাঁকে চা-কফি পানের তুলনা নেই। কেউ চা খেতে বেশি পছন্দ করেন, কেউ আবার কফি। যারা স্বাস্থ্য সচেতন, তারা গ্রিন টি বেশি পছন্দ করেন। অনেকের আবার আদা চা, লেবু চা-তেই মন জুড়িয়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সর্দি-কাশি নিরাময়ে আদা চা বেশি উপকারী। অনেকে সকালে লেবু-আদা চা পান করেন। লেবু-আদা চা পান করলে, বমি বমি ভাব, মাথা ব্যথা, ঠান্ডা লাগা ইত্যাদি অনেক সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এছাড়াও এই চায়ের আরো উপকারিতা রয়েছে। শারীরিক দুর্বলতা, গর্ভাবস্থা, কেমোথেরাপি বা চিকিৎসার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার কারণে অনেক সময় বমি বমি ভাব আসে। এক্ষেত্রে, লেবু- আদা চা ম্যাজিকের মতো কাজ করে। আদা, জমে থাকা কফের হাত থেকে স্বস্তি দেয়। লেবুতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। লেবু-আদা চা খেলে ক্লান্তি দূর হয়। এই চা হৃদরোগ ঝুঁকি কমায়। আদা রক্ত সরবরাহ বাড়াতে ভূমিকা রাখে। লেবু শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করতে ভূমিকা নেয়। এতে বৃক্ক, যকৃৎ (কিডনি, লিভার) এবং অন্ত্রের নানা সমস্যা কমে। লেবু শরীর থেকে টক্সিন ...

সবজি খাবেন কীভাবে

Image
  শীত এলেই বাজারে পাওয়া যায় নানান সবজি। এ সময় বেশি বেশি সবজি খেলে নানা শারীরিক জটিলতা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। তবে আমরা অনেকেই পুষ্টিগুণ অটুট রেখে সবজি খাওয়ার পদ্ধতি জানি না। এক্ষেত্রে গণস্বাস্থ্য সংস্থার পুষ্টিবিদেরা বলছে,   ময়লা, পোকামাকড় ও রাসায়নিকের হাত থেকে বাঁচতে জল দিয়ে ভালো করে সবজি ধুতে হবে। এগুলি একটু লবণজলে ১৫ থেকে ৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখলে আরো ভালো। সে সবজি কাঁচা খাওয়া হয় তা অবশ্যই লবণজলে ভিজিয়ে রাখা উচিত। সবজি খুব বেশি সেদ্ধ করলে ভিটামিন ‘সি’ নষ্ট হয়ে যায়। তাই হালকা বা ভাপে সেদ্ধ করে খাওয়াই ভালো। ভিটামিন ‘এ’ তেল বা ফ্যাটে দ্রবণীয়। তাই এই ভিটামিন সমৃদ্ধ সবজি রান্না করার সময় খানিকটা তেল ব্যবহার করতে হবে। মুখ বন্ধ প্লাস্টিকের ব্যাগে ৫-৭ দিন পর্যন্ত রেফ্রিজারেটরে সবজি রেখে খাওয়া যেতে পারে।   তবে শীতকালে তাজা সবজি খাওয়া সবচেয়ে ভালো। জানুয়ারি - ২১ ২৬-০৪, খাদ্য, স্বাস্থ্য

খুল যা শিম শিম

Image
  শিমে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন, আঁশ বা ফাইবার, ভিটামিন সি আর খনিজ রয়েছে। এগুলি শরীরের জন্য খুবই দরকারি। নিরামিষভোজীদের জন্য এই সবজি প্রোটিনের আধার। এর বীজ শরীরের প্রয়োজনীয় প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে পারে। শিমে ক্যালোরির পরিমাণ কম থাকে। সবজিটির পুষ্টিগুণ ও খনিজ পদার্থ চুল পড়া রোধে কাজ করে। আর চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখে। সবজিটিতে আঁশ থাকায়, কোষ্ঠকাঠিন্যের রোগীদের জন্য উপকারী। শীতে ত্বক হয়ে ওঠে শুষ্ক আর প্রাণহীন। নিয়মিত শিম খেলে ত্বক ভালো থাকে এবং রোগবালাইও কম হয়। এক গবেষণায় দেখা গেছে, শিমের পুষ্টিগুণ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শুধু বাড়িয়েই দেয় না, রোগকে শরীর থেকে দূরে রাখে। তাই যত দিন শিম পাওয়া যাচ্ছে ততদিন এটি হোক খাদ্যসঙ্গী। হেলথ অ্যালার্ট সূত্রে এখবর জানা গেছে। জানুয়ারি - ২১ ২৬-০৩, খাদ্য, স্বাস্থ্য

সবুজবাস

Image
দিল্লির একটি ভবন ভারতের প্রথম পাঁচতারা ‘সবুজ’   আবাসনের স্বীকৃতি পেয়েছে৷ ‘গ্রিন ওয়ান’   নামের ভবনটিকে পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলেছেন স্থপতি নীলাঞ্জন ভোয়াল। বড় বড় জানালার দৌলতে ঘরে অনেক আলো বাতাস ঢোকে আবাসনের ঘরগুলিতে৷ ভারতে অপেক্ষাকৃত নতুন ‘ডবল গ্লেজিং’   প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে ভবনটিকে ইনসুলেট বা কুপরিবাহী করা হয়েছে। ফলে গ্রীষ্মকালের তীব্র গরম সত্ত্বেও বাড়ির ভেতরটা ঠাণ্ডা থাকে৷ ভবনটিতে বৃষ্টির জল ধরে রেখে আবাসিকদের প্রায় ৭৫ শতাংশ জলের চাহিদা মেটানো হচ্ছে। এছাড়া সৌরশক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভোয়াল বলেন এভাবে নির্মাণের ব্যয় বেশি হলেও দীর্ঘমেয়াদী ভিত্তিতে আখেরে লাভ হয়৷ কারণ এই ধরনের নির্মাণে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ বেশি খরচ হলেও, পাঁচ বছরের মধ্যে তা উসুল হয়ে যায়। তারপর কার্যত বিনামূল্যেই সবকিছু চলে৷ স্থপতি ভোয়ালের মতে, এতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পরিবেশ সমৃদ্ধ হয়। নীলাঞ্জন বলেন, সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা হলো, গ্রিন হোম আসলে অনেক সবুজ গাছভরা একটা বাড়ি। প্রচুর গাছপালা, ঘাস লাগালেই বাড়িটি সবুজ হয়ে গেল তা কিন্তু একেবারেই ঠিক নয়৷ সবুজ আবাসন তখনই পরিবেশবান্ধব হয়ে ওঠে, য...

কংক্রিটের জঙ্গলে সবজি চাষ

Image
হাইটেক নগর রাষ্ট্র সিঙ্গাপুরে চাষবাস বাড়ছে। এযাবৎ দেশটি নিজস্ব খাদ্য চাহিদার মাত্র ১০ শতাংশ উৎপাদন করে৷ ২০৩০ সালের মধ্যে সে দেশের সরকার তা ৩০ শতাংশে নিয়ে যেতে চায়। আর তাই ইট, কাঠ, কংক্রিট জঙ্গলের ছাদে, বারান্দায় পথের ধারে চাষের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। নাগরিকেরাও লেগেছে পড়েছে চাষে। এছাড়া করোনা অতিমারির হাত থেকে বাঁচতেও বাড়িতেই বিষমুক্ত শাক সবজি চাষ করতে উৎসাহ দেখাচ্ছে নগরবাসীরা। সিঙ্গাপুরের বেশ কিছু বহুতল ভবনের ছাদে উঠলে দেশে বিষমুক্ত চাষের একটা ধারণা পাওয়া যায়। ছাদের বাগানে কলা, তরমুজ, ফুলকপি, লঙ্কা, বেগুন, শাকপাতাসহ নানারকম সবজি চাষ করছে বহুতলবাসীরা। সরকার শুধু ভিডিও তৈরি করে শাকসবজি ফলানোর কাজে উৎসাহ দিচ্ছে না - বীজসহ নানা মালমশলা দিয়ে, প্রায় দেড় লাখ ‘স্টার্টার কিট’   পাঠানো হয়েছে নাগরিকদের কাছে। কয়েক দশক ধরে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত দেশটিকে বহুতল ভবনের জঙ্গল বললে অত্যুক্তি হয় না। অন্যান্য দেশের উপর নির্ভরতা কমাতে এই নগর রাষ্ট্রের মানুষজন সরকারের সহায়তায় সেখানেই গড়ে তুলছে সবুজের সমারোহ। আমাদের দেশের শহরগুলিতে কি এমন ভাবে চাষ করা যায় না! জানুয়ারি - ২১ ২৬-...

লাভের সুস্থায়ী চাষ

Image
ইকোসিস্টেম বা বাস্তু-ব্যবস্থা এবং জীবের সঙ্গে তার পরিবেশ-প্রতিবেশকে বুঝে দীর্ঘস্থায়ী এক কৃষি-ব্যবস্থার নির্মাণকেই সাসটেনেবল অ্যাগ্রিকালচার সিস্টেম বা সুস্থায়ী কৃষি-ব্যবস্থা বলা যেতে পারে।  সুস্থায়ী কৃষি প্রসারের  মূল তিনটি দিক হল,  ১ - চাষি এবং চাষের কাজে সামগ্রী, শ্রম ও পরিষেবা দানকারীর আর্থিক লাভ এবং জীবন জীবিকার সুরক্ষা। ২ – প্রকৃতি, পরিবেশ ও প্রতিবেশের ভালো করার তাগিদ। ৩- এই চাষ প্রসারে সামাজিক দায়বদ্ধতা। সুস্থায়ী চাষ করে চাষি যাতে তার প্রয়োজনীয় রোজগার করে, তা নিশ্চিত করা অতি গুরুত্বপূর্ণ। ফলন বৃদ্ধি, চাষের খরচ কমানো ও ফলনের ভালো দাম পেলে চাষির আয় বাড়ে। চাষি লাভ না করেও বছরের পর বছর সুস্থায়ী চাষ করে যাবে এমন আশা করা,মূর্খের স্বর্গে বাস করারই নামান্তর। ফসলের দাম ঠিক করার সময় আমরা পরিবেশগত খরচকে ধরি না। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ধান বা চালের উৎপাদনে জল ও রাসায়নিক সার, বিষ প্রচুর ব্যবহার হয়। কৃষিবিজ্ঞানীদের হিসেবে দেখা গেছে ১ কেজি ধান উৎপাদনে ৫০০০ লিটার জল লাগে। রাসায়নিক সার ও বিষ ব্যবহারের কারণে মাটি, জল, হাওয়ায় থাকা প্রাণ নষ্ট হয়, দূষিত হয় পরিবেশ। এস...

দারিদ্রের চাষ

Image
ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর অ্যাগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট বা আইএফএডি বলেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ২০৩০ সালের ভেতর ১০ কোটি মানুষ দারিদ্র্যের অতলে হারিয়ে যাবে। যার অর্ধেকই হবে কৃষি থেকে। জলবায়ু বদলের ফলে কৃষি সম্পদের পরিমাণ কমছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে নতুন দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হচ্ছে। আইএফএডি-র মতে, ২০১৮ সালে বাস্তুচ্যুত ১কোটি ৭২ লক্ষ মানুষের ৯০ শতাংশই ঘরছাড়া হয়েছিল জলবায়ু বদলের ফলে তৈরি হওয়া পরিস্থিতির কারণে। আইএফএডি-এর মতে এই সংকট নিরসনে দেশের সরকারগুলিকে গ্রামীণ উন্নয়নে আরো বেশি বিনিয়োগ করতে হবে। তারা আরো বলেছে, আমরা সবাই পরিস্থিতির তীব্রতার বিষয়ে একমত, তবে বসে থেকে এই সংকট দেখে যাওয়ার আর সময় নেই। জলবায়ু বদলের সঙ্গে খাপ খাইয়ে আমাদের কৃষি-ব্যবস্থাকে তৈরি করতে হবে দারিদ্র ও খিদে নিরসনের জন্য। মার্চ  - ২০ ২৫-৭৩, জলবায়ু বদল, কৃষি, দারিদ্র

মানুষনাশক

Image
আপনি কি আগাছা মারতে গ্লাইফোসেট ব্যবহার করেন ? হ্যাঁ ? তবে জেনে রাখুন এই আগাছানাশক জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করছে। গ্লাইফোসেট নিয়ে একটি গবেষণা নেচার পত্রিকায় বেরিয়েছে। এই গবেষণা থেকে দেখা যাচ্ছে, পৃথিবীতে আগাছা মারার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত গ্লাইফোসেট-ভিত্তিক 'রাউন্ডআপ' বিষ। এই বিষ জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি এবং পরিবেশ দূষণ করে বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট করে। এটি তৈরি করে মনসান্টো। জেনে রাখা ভালো, এই আগাছানাশকের থেকে ক্যান্সার হওয়ার কারণে মনসান্টোর বিরুদ্ধে প্রায় ১৩ হাজার মামলা রয়েছে। যার মধ্যে তিনটি মামলায় মনসান্টো হেরে গেছে। ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞানের অধ্যাপক এবং গবেষক অ্যান্ড্রু গঞ্জালেস জানিয়েছেন, যাঁরা গ্লাইফোসেট ব্যবহার করা জমির ফসল খাচ্ছেন তাঁরা ক্যান্সারের মতো রোগের শিকারও হতে পারেন। গবেষকদের মতে, একথা সত্যি যে খাদ্যের উৎপাদন এবং উৎপাদনশীলতা বাড়ানো প্রয়োজন। কারণ আজও বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ পর্যাপ্ত খাবার পায় না। একাজে তাই রাসায়নিক নয়, জৈব কৃষির ওপরই জোর দেওয়া উচিত। আর উৎপাদন বাড়াতে এবং রোগপোকা নিয়ন্ত্রণে জৈব ও প্রাকৃতিক ব্যবস্থা কার্যকর করা দরকার। মার্চ  - ২০...